Total Pageviews

Monday, June 29, 2020

Biographia Literaria - Samuel Taylor Coleridge - Summary (Bangla)

Biographia Literaria - Samuel Taylor Coleridge - Summary (Bangla)

Biographia Literaria - Samuel Taylor Coleridge - Summary (Bangla)
রোমান্টিক যুগের কবি Samuel Taylor Coleridge এর জন্ম ১৮৭২ সালের ২১শে অক্টোবর। নানা সমস্যার মাঝে জীবন অতিবাহিত করেছেন। তিনি Wordsworth এর সাথে কাজ করেছেন। ১৭৯৮ সালে যৌথভাবে William Wordsworth এর সাথে Lyrical Ballads প্রকাশ করেছিলেন আর এর মাধ্যমেই ইংরেজি সাহিত্যে সূচনা হয়েছিল Romantic যুগের। ১৮১৭ সালে তিনি নিজেই প্রকাশ করেন Biographia Literaria কিংবদন্তী এই লেখক ১৮৩৪ সালে মারা যান।
এখানে সর্বমোট ২৩ টা অধ্যায় আছে তবে আমাদের সিলেবাসে শুধু ৩টি অধ্যায়ই আছে।
চতুর্থ অধ্যায়;
চর্তুদশ অধ্যায় এবং
সপ্তদশ অধ্যায়।
#চতুর্থ_অধ্যায়
Coleridge এটা লেখার উদ্দেশ্য তিনি নিজেই দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, "আমার বর্তমান উদ্দেশ্য হচ্ছে Mr. Southey নতুন কাব্য-ধারা স্রষ্টাদের সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন তা আমার ধারনা থেকে ভিন্ন নয়, তা প্রমান করা"
এখানকার প্রায় কথাগুলোই হচ্ছে Lyrical Ballads নিয়ে। Coleridge বলেছেন "Lyrical Ballads" এবং "Preface to Lyrical Ballads" যেসব মন্তব্য Wordsworth করেছেন তার কোন উদাহরণ না দিয়ে বা বিশ্লেষণ না করেই সেই মন্তব্যগুলোর সমালোচনা করেছেন সমালোচকরা। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে পুস্তকগুলোতে সমালোচনা করার মত কোন বিষয়ই ছিল না। সেগুলো যথেষ্ট প্রতিভা বুদ্ধিমত্তা দিয়েই লেখা হয়েছিল। সমালোচকরা এমন মন্তব্যও করেছেন যে তাদের অনেক কবিতা ভালও লেগেছে। তবে একজন যেটা ভাল বলেছেন অন্যজন সেটাকে খারাপ বলেছেন। তাই এটা নিশ্চিত করে বলা যায়না দোষটা আসলে কার। Wordsworth এর লেখার নাকি সমালোচকদের?
এরপর Coleridge বলেছেন তার সাথে Wordsworth এর দেখা হয়েছিল 1796 সালে যখন তার বয়স 24 বছর। তখন Wordsworth তাকে একটা কবিতা শুনিয়েছিল সেটা তার মন ছুঁয়ে গিয়েছিল। সেটায় কোন দুর্বোধ্যতা ছিলনা আর না ছিল কোন কৃত্রিমতা আর না ছিল রুপকাশ্রয়ী কিন্তু তারপরও কবিতাটা তাকে বিশেষভাবে মোহিত করেছিল। এই কথাগুলো দ্বারা Coleridge বুঝাতে চেয়েছেন যে "প্রতিভাবান ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে চিরচেনা বিষয়কে এমনভাবে রূপায়িত করা যা দেহমনকে সমানভাবে পরিতৃপ্ত করে"
এরপর Coleridge খেয়াল কল্পনা (fancy and imagination) এর মধ্যে পার্থক্য দেখিয়েছেন। তিনি বলেছেন শব্দ দুটো একে অপরের বিপরীত অর্থ বহন করে। "Fancy" শব্দটি গ্রিক 'phantasia' থেকে আগত এবং 'Imagination' শব্দটি ল্যাটিন শব্দ 'imaginatio" থেকে আগত এবং একটা আরেকটার বিপরীত। Coleridge নিজেকে প্রথম ইংরেজ বলে আখ্যায়িত করেছেন যিনি সর্বপ্রথম 'fancy' and 'imagination' এর মধ্যে পার্থক্য দেখিয়েছেন। তিনি বলেছেন Wordsworth এর উদ্দেশ্য ছিল কবিতাকে 'fancy' 'imagination' এর মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা কিন্তু আমার(Coleridge) এর উদ্দেশ্য ছিল তাদের অনুসন্ধান করে দুটি নতুনধারার প্রকাশ ঘটানো।
#চতুর্দশ_অধ্যায়
এখানে কবি বলেছেন তার আর Wordsworth এর আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল প্রায় একই। তারা উভয়ই চাইতেন প্রাকৃতিক সত্যকে প্রধান বিষয় হিসেবে গ্রহন করে তার সাথে কল্পনাকে সংযুক্ত করে নতুনত্ব দান করা। তাদের দুজনেরই কবিতার বিষয়বস্তু ছিল অতিপ্রাকৃত (supernatural) এবং ভাবপ্রবণ (romantic)
এরপর Coleridge তার বন্ধু Wordsworth এর অনুসরণকারীদের সম্পর্কে বলেছেন। Coleridge বলেছেন Wordsworth এর কোন ভক্তই সাধারণ পাঠক ছিলেন না, তারা ছিলেন চিন্তাশীল এবং তাদের মধ্যে যথেষ্ট গভীরতা ধর্মীয় গাম্ভীর্য ছিল।
Coleridge
বলেছেন দার্শনিক বিষয় রচনার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে দার্শনিককে স্বাতন্ত্র্য সম্পর্কে সচেতন হওয়া।
এরপর Coleridge বলেছেন "একটা গদ্য রচনার মধ্যে যে উপাদান থাকে একটা কবিতা বা পদ্যের মধ্যেও সেই একই উপাদান থাকে"
শুধু তাদের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে উপাদানগুলোর সংযুক্তিতে বা তাদের উদ্দেশ্যের ভিন্নতার কারণে।
কোন কিছুই চিরন্তনভাবে আনন্দ দিতে পারে না যদি তার মধ্যে কোন কারণ নিহিত না থাকে। একটা কবিতা হচ্ছে সেই ধরনের রচনা তার প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে আনন্দ প্রদান, এক্ষেত্রে সত্যকে উদঘাটন না করলেও হবে। তবে সেটা এমন হতে হবে যার প্রতিটা অংশ পরস্পরকে সমর্থন ব্যাখ্যা করবে এবং সেগুলো ছন্দোবদ্ধও হতে হবে। কবিতার কাজই হবে পাঠকদের মনে আকর্ষন সৃষ্টি করা।
এরপর Coleridge কাব্য সম্পর্কে বলেছেন। তিনি বলেছেন কাব্য শব্দটিকে আমরা যে অর্থেই প্রকাশ করিনা কেন, বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে এটা পুরোপুরি কাব্যিক নয় বা এর কাব্যিক হওয়াটাও বাঞ্ছনীয় নয়।
এরপর Coleridge কবিতা কবি সম্পর্কে বলেছেন। কবিতা এবং কবি শব্দ দুটো একে অপরের পরিপূরক। এটা এমন একটা স্বাতন্ত্র যা এসেছে যা কবির নিজের মনের চিত্রকল্প চিন্তা আবেগ গুলোকে ধরে রাখে এবং পরিবর্তন করে। একজন উৎকৃষ্ট কবির কাজ হচ্ছে মানুষের আত্মাকে ক্রিয়াশীল করা এবং ক্ষমতা মর্যাদা অনুসারে মানুষের মনকে একে অপরের অধীনে নিয়ে আসা পরস্পরের মিলন ঘটান। এর সাথে তিনি জাদুকরী ক্ষমতা ব্যবহার করে যাকে আমরা কল্পনা নাম দিয়েছি। সবশেষে বিচারবুদ্ধি হচ্ছে কাব্যিক প্রতিভার দেহ, অলীক কল্পনা হচ্ছে এর পোশাক, গতি হচ্ছে এর জীবন এবং কল্পনাই হচ্ছে এর আত্মা। এই কল্পনাই পারে এসবকিছুকে একটা কমনীয় বুদ্ধিদীপ্ত রূপ প্রদান করতে।
# ১৭ অধ্যায়ঃ
একজন কবি তাঁর বিরোধী কোন কবির কাছ থেকে সেটুকুই ধার করেন যেটুকু ধার করা যৌক্তিক মনে করেন। আর সেটুকু তিনি প্রত্যাখ্যান করেন, যেটুকু তিনি নিজে রচনা করতে পারেন। Wordsworth বলেছেন কবিতার ভাষা হওয়া উচিত প্রাত্যাহিক জীবনে মানুষের কথ্য ভাষা এবং স্বাভাবিক প্রকাশভঙ্গি নিয়ে। কিন্তু Coleridge তার সাথে দ্বিমত পোষণ করেছেন। তিনি বলেছেন ঐসব কেবলমাত্র বিশেষ কিছু কবিতায়ই প্রযোজ্য হতে পারে। দ্বিতীয়ত যে সব কবিতায় সেরকম ভাষা প্রযোজ্য নয় যদি কোন পাঠক সেসব নিয়ে কোন প্রশ্ন তোলে বা সন্দেহ পোষণ করে। Wordsworth সাধারণ মানুষের জীবন অনুকরণে যে আনন্দের প্রত্যাশা করেন সেগুলো তিনটি উপায় পাওয়া যেতে পারে।
প্রথমত চিত্রিত জীবনের অবিকল উপস্থাপনা।
দ্বিতীয়ত চিত্রিত জীবনের সাথে কবির কল্পনার, জ্ঞানের প্রতিভার সংমিশ্রণ এবং
তৃতীয়ত, পাঠকের মনকে সেই চিত্রিত জিনিসের সঙ্গে নিজেদের মত করে সাজিয়ে দেয়া।
Coleridge বলেছেন অবশ্য Wordworth এর গ্রামীন জীবন মানুষকে বেছে নেওয়ার কারণ ছিল।
তিনি তার নিজের ভাষায় গ্রামীণ আবহে আবেগকে খুঁজে পেয়েছিলেন৷
এছাড়া গ্রামীণ মানুষের ব্যবহৃত ভাষার জীবনের স্পন্দন খুঁজে পাওয়া যায়।
গ্রামীণ আবহে জীবনের সন্ধান পাওয়া যায় এবং প্রকৃত ধ্যানমগ্ন তার উপাদান পাওয়া যায়।
জীবনের প্রকৃত অনুভূতির সন্ধান পাওয়া যায় গ্রামীণ পেশায়, ভাষায়, জীবনাচরণে আবেগে। এক কথায় প্রকৃতির সৌন্দর্য এবং স্থায়ী রুপকেই খুঁজে পাওয়া যায় গ্রামীণ আবহে।
কিন্তু Coleridge এক্ষেত্রে Wordsworth দ্বিমত পোষণ করেন। তিনি বলেছেন, আমি বিশ্বাস করি গ্রামীণ মানুষের চিন্তা-চেতনা অনুকূল পরিবেশ অপরিহার্য কিন্তু এগুলো শুধু গ্রামেই যথেষ্ট নয়। সব মানুষের চেতনা গ্রামীণ আবহে গ্রামীণ পেশায় সমানভাবে উৎকর্ষ লাভ করে না তাই এদিক দিয়ে Wordsworth এর নির্বাচনে একটু ভুল আছে।
এরপর Coleridge ব্যাখ্যা দিয়েছেন কেন তিনি Wordsworth এর সাথে দ্বিমত পোষণ করেছেন। তিনি বলেছেন গ্রামীণ মানুষের ভাষাকে যতই পরিশুদ্ধ পরিশীলিত করা হোক সে ভাষার মূলভাবটি সাধারণ শিক্ষিত, সাধারণ জ্ঞানী কোনো মানুষের ভাষা থেকে ভিন্ন কিছু হবেনা আর গ্রামীণ মানুষের ভাষায় ভাবের গভীরতা ভাবের সংযোগও হবে সীমিত। কারণ গ্রামীণ মানুষের অভিজ্ঞতা সীমিত, তথ্য অপ্রতুল এবং সে ভাষাচিন্তা যুক্তিপূর্ণ ধারাবাহিক নয় এবং গ্রামীণ মানুষ এক তথ্যের সঙ্গে আরেক তথ্যের সংযোগ ঘটাতে পারে না যেমন পারে একজন শিক্ষিত মানুষ। গ্রামীন মানুষের ভাষায় প্রকাশের উদ্যম পরিধি অত্যন্ত সীমিত তাই তা কবিতায় ব্যবহারের অনুপযোগী।
Coleridge সপ্তদশ অধ্যায়ের শেষে বলেছেন "আবেগের ধর্ম সৃজন নয় বরং কৃতকর্মে বেগ আনা"
মূলত কোলরিজ বুঝাতে চেয়েছেন, নব্য কাব্যরীতিতে অভ্যস্ত হওয়া সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। তারপর তিনি এরস্টটলের কাব্য ব্যাখ্যা অনুসরণ করে যুক্তি দেখান, গ্রামীন আবহ নয়, চিন্তার গভীরতা দিয়েই উৎকৃষ্ট ভাষা সৃষ্টি হয় এবং তা পেশারও প্রতিনিধিত্ব করে। এরপর তিনি Wordsworth এরই কবিতা থেকে কয়েকটি কবিতা বিশ্লেষণ  করে দেখান, Wordsworth এরি চিন্তা তারই কবিতাতে সফলভাবে প্রয়োগ হয় নাই। সর্বশেষ তিনি বলেন Wordsworth বর্ণিত সাধারণ মানুষের ভাষা কবিতার সর্বোত্তম ভাষা নয়।

No comments:

Post a Comment

Blog Archive