Search This Blog

Total Pageviews

Wednesday, September 25, 2019

Batter My Heart - John Donne - Translation, Summary and Analysis in Bengali

Batter My Heart - John Done - Translation, Summary and Analysis in Bengali



Batter My Heart - Translation in Bengali
সজোরে আঘাত করো হৃদয়ে আমার, ওহ ঈশ্বর, তোমার তরে
এখনো কিন্তু মৃদু টোকা, বাতাস ও উজ্জ্বল আলোয় আমায় পরিশুদ্ধ করে দাও।
যাতে আমি উঠে দাড়াতে পারি, ভূপাতিত করো আর বাকাও
তোমার শক্তি দিয়ে ভেঙ্গেচুরে ও দগ্ধ করো, আমাকে নতুন করে (গড়ো)
আমি চাই শক্রপূর্ণ শহর (আমার হৃদয়) দখলে নিক সাহসী শাসক (ঈশ্বর),
আমি মনে প্রাণে তোমাকেই চাই আমার প্রভু,
বুঝেছি আমার হৃদয়ে শয়তান বেঁধেছে বাসা,
হৃদয় হতে তাড়িয়ে অশুভ, গড়ো প্রভু শুভ নিবাস
আমার যাত্রা তোমারি পানে, তোমাকেই ভালোবাসি
কিন্তু আমি তোমার শত্রুর হাতেও বাধা
পরিত্যাগ করো আমায়,বাধন খুলে দাও অতঃপর সেই গিট ভেঙ্গে দাও
এবার তোমার কাছে নিয়ে যাও আর বন্দী করো আমায়, আমার জন্যেই
তোমার দাসত্বে প্রবেশ করাও, কখনোই মুক্ত হতে দিও না,
আমি পারবো না হতে পরিশুদ্ধ, যদি না তুমি আমায় (শয়তানের হাত থেকে) হরন না করো।  

Batter My Heart - Summary and Analysis

Batter My Heart কবিতাটি জন ডান এর Holy Sonnets কবিতাগুচ্ছের পনেরোতম কবিতা কবিতাটি পেত্রার্কান ছন্দে লেখা। প্রথম অষ্টকের ছন্দবিন্যাস হচ্ছে ক খ খ ক ক খ খ ক এবং বাকি ষষ্ঠকের বিন্যাস   গ ঘ গ গ ঘ গ । কবি এই কবিতায় এমন এক ঈশ্বরপ্রেমিকের ছবি এঁকেছেন যে আল্লাহর পথ থেকে সরে গিয়ে শয়তানের পথে চলে গিয়েছে। কবি এখানে মহান ঈশ্বরের কাছে আবেদন করেছেন, তিনি যেন তার ভেতরের সকল পঙ্কিলতা আর আবিলতাকে সবলে আঘাত করে দূর করে দেন কবির হৃদয়ে ঠাই নিয়েছে অশুভ শয়তান, এই শয়তানের কবল হতে নিজেকে মুক্ত করতে চান কবি কবি মনে করেন মহান ঈশ্বরের স্পর্শ পেলেই সকল অশুভ দিকগুলো পালিয়ে যাবে শুভ দিকগুলো স্থান করে নেবে কবির হৃদয়ে কবি আকুলতা সহকারে কামনা করেছেন ঈশ্বরের হস্তক্ষেপ কবি মনে করেন তার হৃদয়টা যেন একটা শহরের মতো, যে শহরটা দখল করে রেখেছে অশুভ শয়তান কবি চান কোনো ন্যায়পরায়ণ শাসক এসে সন এই শহরের দখল নিয়ে কবিকে অশুভ বিষয় হতে মুক্ত করেন কবি এখানে ন্যায়পরায়ণ শাসক বলতে ঈশ্বরের আগমনকেই কামনা করেছেন ষষ্ঠকে কবি নিজেকে একজন রমণীর সাথে তুলনা করেন যে তার স্বামীকেও ভালোবাসে কিন্তু একই সাথে গোপন প্রেমিকের থেকেও সে মুক্ত হতে পারছে না। তাই সে তার স্বামীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। স্বামী যেনো তাকে গোপন প্রেমিকের হাত থেকে হরণ করেন। এখানে মহিলার এই রুপকের মাধ্যমে কবি বুঝাতে চেয়েছেন, শয়তান কখনো তার ভালোবাসা ও আনুগত্য পাওয়ার যোগ্য না, শয়তান সেই অবৈধ প্রেমিকের মত। তার আনগত্য ও ভালোবাসা পাওয়ার বৈধ অধিকারী হচ্ছেন একমাত্র ঈশ্বর। কবি শেষে বলেন তার যাত্রা শুধুমাত্র মহান ঈশ্বরকেই লক্ষ্য করে কবির এই বিশ্বাস প্রবল যে একমাত্র মহান ঈশ্বরই কবিকে মুক্ত করতে পারেন সব রকম অশুভ শক্তি হতে, শয়তানের কম্বল হতে মহান ঈশ্বরই পারেন কবির হৃদয়কে আবিলতা মুক্ত করতে কবি তার হৃদয়ের মর্মপীড়ার দিকটি তুলে ধরেছেন কবি মহান ঈশ্বরের স্পর্শ দ্বারা তার মনের কলুষতা আর কদর্যতাকে দূর করার ইচ্ছে জ্ঞাপন করেছেন কবি শুরুতেই ঈশ্বরের কাছে আবেদন করেছেন, ঈশ্বর যেন তার হৃদয়ে জোরালো আঘাত করে হৃদয়ে সুমধুর নির্মল হাওয়া বইয়ে দিয়ে অন্তকরণকে পরিচ্ছন্ন করেন কবি বলেন, মহান ঈশ্বর যদি তার ভেতরের কলুষতা দূর করে তার মাঝে পরিশুদ্ধতা আনেন তাহলে তিনি সেই স্পর্শ লাভ করে নবজীবন নিয়ে, নতুন করে নির্মল মানব রূপে দণ্ডায়মান হবেন কবি এটা অনুধাবন করতে পেরেছেন যে, তার অন্তরে শয়তানরূপী পাপাত্মা বাসা বেঁধেছে তিনি তাঁর হৃদয়কে তুলনা করেছেন এক শহরের সাথে, যে শহর অরাজকতা, কলুষতা আর আবর্জনায় পূর্ণ কবি চান কোনো পুণ্যবান শাসক, সাহসী শাসক এসে সেই আবিলতাপূর্ণ শহরকে দখল করে, সমস্ত আবর্জনা দূর করে, কলুষমুক্ত করে সে শহর শাসন করুক কবি আসলে এখানে শাসক রূপে মহান ঈশ্বরকেই চাচ্ছেন তিনি বলেন, মহান ঈশ্বরকে তিনি আকুলভাবে কামনা করেন, একমাত্র মহান ঈশ্বরই পারেন তাঁর হৃদয় জনপদের সকল ময়লা নোংরা দিকগুলো দূর করে দিতে কবি সর্বদাই এটা স্মরণে রাখেন যে মানুষের পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের সবগুলোরই নিয়ন্ত্রক মহান ঈশ্বর মহান ঈশ্বরই মানব সত্তার নিয়ন্ত্রক কবি চান ঈশ্বর যেন তাঁর সকল ইন্দ্রিয় মাঝে অবস্থান করে সঠিক সরল পথ প্রদর্শন করান অন্তর হতে অশুভ শক্তিকে তাড়িয়ে সে স্থানে যেন তিনি গড়ে তোলেন অসাধারণ সুন্দর পুণ্যস্থান, আর সে পুণ্যভূমিতে যেন গড়ে তোলেন এক মহিমময় শুভ আবাসস্থল কবি হতাশাগ্রস্ত এ কারণে যে, তাঁর হৃদয়ের আবাসস্থলে শয়তান নিবাস গড়েছে, কবি চান ঈশ্বর যেন তাকে সহজ সরল পথ প্রদর্শন করেন শয়তান যেন কবিকে চারপাশ হতে কঠিন শৃংঙ্খলে আটকে রেখেছে, কবি চান ঈশ্বরের শক্তি যেন শয়তানের সে শৃংখল বেড়ী ভেঙ্গে দিয়ে তাঁকে মুক্ত করেন মুক্ত করে, পুণ্যের পথে, আলোর পথে নিয়ে আসেন এ কবিতায় মহান ঈশ্বর সমীপে কবির সহজ সরল আত্মসমর্পণের দিকটি অসাধারণ মহিমায় মূর্ত হয়ে উঠেছে


No comments:

Post a Comment

Popular Posts