Saturday, May 11, 2019

The Patriot - Robert Browning - Bangla Translation and Simple Meaning

The Patriot -  Robert Browning - Bangla Translation and Simple Meaning

The Patriot -  Robert Browning - 
Bangla Translation and Simple Meaning

Summary & Analysis - Bangla

দ্য পেট্রিয়ট - 
পুরোটা পথ ছিল গোলাপে পরিপূর্ণ,
গুল্মলতার পাগল করা সৌরভ মিশ্রিত পথ;
ঘরের ছাদণ্ডলো যেন দুলছে উঁচু-নীচু,
গির্জার চূড়া যেন তাদের পতাকার মতো প্রজ্বলিত,
বিগত বছরের ঠিক এই দিনে

বাতাস কুয়াশাকে বিদীর্ণ করেছিল ঘণ্টাধ্বনির মতো
জনতার ভিড়ের চিৎকারে করেছিল পুরাতন দেয়ালগুলো
আমি বলেছিলাম, হে সভ্যগণ, বন্ধ কর এই হৈ চৈ
এ আকাশ থেকে আলো দাও আমাকে!
তারা বলেছিল, এবং শেষে, আরো কিছু ?

হায় রে, এটাই আমি যে সূর্যকে ডিঙিয়ে যেতে চেয়েছিলাম
পরম বন্ধুকে ইহা দিয়েছিলাম রাখতে!
মানুষ যা করতে পারে না, আমি তা অসমাপ্ত রেখেছি?
তোমরা দেখেছ আমার ফসল, যা আমি ফলিয়েছি
ঠিক এই দিনে, এখন একটি বছর পার হয়েছে। 

ছাদণ্ডলোর উপরে এখন কেউ নেই
জানালার পাশে জড়াগ্রস্তরা ছাড়া
আকর্ষণীয় স্থানটি, যেখানে সবাই গিয়েছে
কসাইখানার গেট অথবা আরো ভালো স্থান
প্রাণদণ্ডের উঁচু মঞ্চটি, আমি মনে করি।

আমি পবিত্র হলাম, প্রয়োজনের চেয়েও বেশি
পিছনে দড়িতে বাধা কবজিদ্বয় যেন কেটে যাচ্ছে
আমার মনে হয়, আমি অনুভব করলাম, কপাল থেকে রক্ত ঝরছে
বিদ্বেষ পোষণকারী কেউ ছুড়ে মারছে  
পাথর আমার দিকে আমার বিগত অপকর্মের জন্য

এভাবে আমার আগমন এবং এভাবেই আমার প্রস্থান
পরম বিজয়েও মানুষ মৃত্যু মুখে পতিত হয়
ধরণী শোধ করেছে তার ঋণ, তুমি কি ঋণী!
আমি? ঈশ্বর প্রশ্ন করতে পারত তার পরিবর্তে .
ঈশ্বর পরিশোধ করবেন: আমি নিরাপদ তাই

সরলার্থ
প্রথম স্তবকঃ ঠিক এক বছর আগে এই দিনে সব রাজপথ ছিল গোলাপে গোলাপে, সুগন্ধি লতায় পাতায় ভরা: সব বাড়ির ছাদে ছিল উৎফুল্ল জনতার ভিড়, সবাই ছিল আমাকে স্বাগত জানাতে পাগল পারা, গির্জা চূড়া ছিল পতাকা উজ্জ্বল, রঙিন আলোক জ্বালা
দ্বিতীয় স্তবকঃ বাতাসে ছিল উন্মাদ ঘণ্টার ধ্বনি, পুরানো দেয়ালগুলো ছিল জনতার চিৎকার ভারে প্রায় নুয়ে পড়া। তখন যদি বলতাম, হে, প্রিয় জনতা, শুধু চিৎকার ভালো লাগে না-ওই আকাশ থেকে সূর্যটা যদি এনে দিতে আমায়! তারা হয়তো বলত, কী চাও এর পরে আর?
তৃতীয় স্তবকঃ হায় অভাগা আমি! জনতোষণে ভূলে আমিই অসাধ্য সাধন করতে চেয়ে ছিলাম, জনতায় বিশ্বাস করেছিলাম, যা কিছু সম্ভব মানুষের পক্ষে, তাই করেছিলাম জনতার কল্যাণে কিন্তু দেখো আমার কর্মের ফল।
চতুর্থ স্তবকঃ মাত্র এক বছর পরে আজ দেখো, দেয়ালে, ছাদে নেই উৎসুক জনতার চিৎকার। শুধু দুএকজন বিষাদাচ্ছন্ন মানুষ জানালা দিয়ে অবহেলায় দেখছে আমায় বধ্যভূমিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে আমাকে, ওটাই যেন আমার যোগ্যস্থান সব দৃষ্টির ভাষাই যেন সে রকম মনে হয়।
পঞ্চম স্তবকঃ বৃষ্টির জলে ভিজে আমি বধ্যভূমির পথে ধাবিত, শক্ত রশ্মি দিয়ে পিছমোড়া করে বাধা হাত দুটো কেটে যাচ্ছে বুঝি, অনুমান করছি বুঝিবা কপাল থেকেও রক্ত ঝরছে, যার ইচ্ছে হচ্ছে সেই পাথর ছুঁড়ে মারছে আমাকে লক্ষ্য করে, এক বছরে এই আমার কর্মফল।
ষষ্ঠ স্তবকঃ এমনি আমার আগমন আর নির্গমন! এমনি আমার এক বছরের কর্মের পরিণাম। পৃথিবী এমন করেই তোমার ঋণ শোধ করেছে? ঈশ্বর হয়তো জিজ্ঞেস করবেন; তিনিই আমাকে দেবেন যোগ্য উপহার আমি নির্ভার, এমন ভেবে।

No comments:

Post a Comment

Trending

Ads