Thursday, August 16, 2018

PETALS OF BLOOD – Ngugi wa Thiong'o – Bangla Summary of full novel - part 1 of 2




 


PETALS OF BLOOD – Ngugi wa Thiong'o – Bangla Summary of full novel - part 1 of 2

এই গল্পের কাহিনী শুরু হয়েছে  গল্পের ৪টি প্রধান চরিত্রকে গ্রেফতারের মাধ্যমে । সর্বপ্রথম গ্রেফতার হয় গডফ্রে মুনিরা। দুইজন পুলিস অফিসার তার কাছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে আসে, তবে তার সাথে ভাল ব্যবহার করে কারন সে ইলমোরগ শহরের একমাত্র স্কুলের প্রধান শিক্ষক। তারা তাকে বলে ইলমোরগ শহরে তিনটি খুন হয়েছে, আর এই জন্যে তাকে গ্রেফতার ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এরপর যাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে গ্রেফতার করা হয় সে হল ইলমোরগের একজন খুচড়া দোকানদার ও বারের মালিক নাম আব্দুল্লা। আব্দুল্লার একটি পা নেই। তাকে মাত্র হাসপাতাল থেকে আনা হয়েছে আর তার একটি হাতে ব্যান্ডেজ বাধা। এরপর আনাহল ওয়ানজা কে। সে কিছুটা উন্মত্ত ও পাগলাটে আচড়ন করছিল। সর্বশেষ কারেগাকে আনা হল ৪র্থ সন্দেহভাজন হিসেবে।
এরপর লেখক পাঠকদেরকে ২০ বছর পূর্বে নিয়ে যান। যখন ইলমোরগ নামক শহরটি ছিল একটি গ্রাম্য এলাকা। গডফ্রে মুনিরা এখানে শিক্ষক হিসেবে আসে। তার বাড়ি ছিল লিমুরুতে। যেখানে তার এক জন স্ত্রী ও ২ সন্তান ছিল। তার বর্ণনা দিতে গিয়ে লেখক বলেন সে ছোটবেলায় তার স্কুল থেকে বের করে দেয়া হয় কারন সে স্কুলের হেডমাষ্টারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন। তার পিতার সাথে তার সম্পর্ক ভাল ছিল না। মুকামি নামক তার একটি বোন ছিল যে কিনা আত্মহত্যা করেছিল। তার অন্যান্য ভাই বোনের তুলনায় সে ছিল একজন ব্যার্থ মানুষ। অল্প বয়সেই পতিতাদের সাথে তার মেলামেশা ছিল এবং নিজেকে একেবারে কলুষিত করে ফেলেছিলো। পরে অবশ্য সে তাদের এলাকার প্রথাগত ভাবে নিজেকে পরিশুদ্ধ করে তোলে। এরপর সে ইলমোরগে পৌছে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগ দেয়। তার এই যোগদান এলাকাবাসী খুশি হলেও , তারা ভাবে মুনিরা হয়তো আগের শিক্ষকদের মত খুব বেশিদিন টিকতে পারবে না। সে তখন বাড়ি বাড়ি গিয়ে ছাত্র সংগ্রহ করতে লাগলো কিন্তু খুব একটা সাড়া পেল না। একসময় তার মাঝে হতাশা কাজ করল, সে তখন তার বাড়ি লিমুরুতে ফিরে এলো। কিছুদিন থাকার পর তার মনে হল বিদ্যালয়টাকে দাড়া করানোর জন্যে সে আবার চেষ্ঠা করবে। সে ফিরে এলো এবং আবার কাজ শুরু করলো। সে এলাকার প্রশাসক জিগো এর কাছে আরো শিক্ষকের জন্যে আবেদন করলো ও সে অনুমতি দিল।
আরেকটি প্রধান চরিত্র ছিল সুন্দরী যুবতী ওয়ানজা। সে এই শহরে নতুন আসলেও তার সৌন্দর্যের কারনে সে সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করেছিল। তার দাদীর নাম নায়াকিনুয়া। সে তার দাদীর সাথে দেখা করতেই এই শহরে এসেছিল। ওয়ানজা তার জীবনকাহিনী মুনিরাকে বলেছিল। সেখান থেকেই জানা যায় যে যখন সে বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করতো, তখন তার এক সহপাঠীর সাথে তার প্রেম হয় আর তার পিতা এটা মেনে নেয় নি বরং এই অপরাধে তাকে মারধর করে। তখন তার পিতার প্রতি প্রতিশোধ নিতে গিয়ে কিমেরিয়া নামে তার পিতার এক বন্ধুর সাথে সম্পর্ক করে। যখন সে গর্ভবতী হয়ে যায় তখন সে তাকে পরিত্যাগ করে। তখন সে তার বাড়ী থেকে পালিয়ে আসে আর এই শহরে বারমেইড এর কাজ শুরু করে। তার মনে ইচ্ছে জাগে একটি সন্তানের মা হবার। তার দাদীর কাছে এ  ব্যাপারে পরামর্শ চাইলে সে তাকে মাওয়াথি নামক একজন চিকিৎসক ও ভবিষ্যৎ বক্তার কাছে নিয়ে যান, যে তাকে পূর্ণিমার সময় একজন যুবকের সাথে শোয়ার পরামর্শ দেন। তাই সে মুনিরার সাথে পুর্ণিমার রাতে রাত্রি যাপন করে কিন্তু সে ব্যার্থ হয়।
লেখক কারিগা নামক আরেকটি চরিত্রের বর্ণনা দেন, যে দারিদ্রের যাতাকলে পিষ্ট হয়ে ইলমোরগ শহরে আসে।  সেখানে সে মুনিরার সাথে দেখা করে। তাকে তার পরিচয় দেয় সে হল বৃদ্ধা মরিয়ামুর সন্তান যে তার বাবার ফার্মে থাকতো। সে তাকে মনে করিয়ে দেয় সে ছিল সিরিয়ানা স্কুলের ছাত্র, তার মতই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করায় তাকেও স্কুল থেকে বের করে দেয়া হয়েছিল। সে আরো বলে তার মৃত বোনকেও সে চিনতো। সর্বশেষ সে তাকে বলে মানগুও স্কুলে যখন মুনিরা শিক্ষকতা করেছিল, সে তখন তার ছাত্র ছিল।
৪র্থ প্রধান যে চরিত্রটি ছিল সেটি হল আব্দুল্লা। সে একজন খুচরা ব্যবসায়ী। তার একটি পা ছিল না। মাউ মাউ বিদ্রোহের সময় সে যুদ্ধে গিয়ে তার একটি পা হারায়। কেনিয়ার স্বাধীনতার আগে একজন ভারতীয় ব্যাবসায়ী এই শহরে থাকত। তার পরিত্যাক্ত বাড়িটি পরিষ্কার করে আব্দুল্লা তার খুচরা ব্যাবসা শুরু করে। তার সাথে সাহায্য করতো তার এক আশ্রিত ভাই জোসেফ। মানুষ হিসেবে আব্দুল্লা ছিলেন খুব বদরাগী। তার ক্রেতার সংখ্যা কমে যাচ্ছিল। এরপর যখন তার দোকানে ওয়ানজা আসে সে তার সাথে থেকে তার আচরণ কিছুটা কোমল হয়। কিন্তু ওয়ানজা একসময় তার এখান থেকে চলে যেতে চায়। তখন সে তাকে তার ব্যবসার অর্ধেক শেয়ার দেয় যাতে করে সে তার এখানে থাকে। কারন তার জন্যেই তার পড়তি ব্যবসা কিছুটা জমে উঠেছিল। তার একটা গাধা ছিল, যাকে দিয়ে সে সকল পন্য আনা নেয়া করত।

এই এলাকার আবহাওয়া খুব একটা ভাল ছিল না, বৃষ্টি হত দীর্ঘ অনেক দিন পরে। এক সময়ের সবুজে ঘেড়া অঞ্চল এখন একটা প্রায় মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। মাঠে আর ফসল ফলে না এমনকি ঘাসও কমে গিয়েছিল। এই শহরের মানুষ কুসংস্কারাচ্ছন্ন ছিল। তারা ভাবে তাদের শহরের এই অবস্থার কারন হল আব্দুল্লার গাধাটি। এটি কুলক্ষনে প্রাণী। তাই তারা পরামর্শ দিল এটিকে মেরে ফেললে শহরের এই অবস্থার পরিবর্তন হবে। কিন্তু এই প্রাণীটি ছিল আব্দুল্লার একমাত্র আয়ের উৎস। তখন কারেগা গ্রামের গন্যমান্য ব্যাক্তি ও মুরব্বীদের নিয়ে একটি সভার আয়োজন করে। এখানে সে তাদেরকে পরামর্শ দেয় তারা একটি দলে বিভক্ত হয়ে রাজধানী নাইরোবিতে যাবে এবং তাদের এমপি কে তাদের দুঃখ কষ্ট এর কথা জানাবে ও তার কাছে সাহায্য চাইবে। সবাই রাজী হল। তারা একটি দল গঠন করে নাইরোবির দিকে রওয়ানা হল। তাদের যাবার পথে গাধাটি অনেক কাজে লাগলো। তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এর মাধমে পরিবহন করা হল। একটি পা না থাকা সত্ত্বেও আব্দুল্লা সকলের সাথে সমানতালে চলছিল। সবাইকে বিভিন্ন ধরনের কাহিনী ও যুদ্ধের অভিজ্ঞতা বলে তাদেরকে উজ্জীবিত রেখেছিল সে। 


Maruf Mahmood
M.A., English, Dhaka College 

No comments:

Post a Comment

Trending