Monday, November 28, 2016

রাসুল(সা) এর আনসারদের পরিচয়ঃ


আনসারদের পরিচয়ঃ
আওস ও খাজরাজ দুই ভ্রাতার বংসধরদের আনসার বলা হয়। নিচের ঘটনার মাদ্ধ্যমে বিস্তারিতঃ
আমর ইবনে আমিরের য়ামন ত্যাগঃ
আবু যায়েদ আনসারীর বর্ণনা অনুযায়ী আমএর ইবনে আমূরের য়ামন ত্যাগের কারনেই ছিলো যে, মারীবের যে বাধ টি ঈয়ামনবাসির জন্যে পানি সংরক্ষন করতোএবং তারা ইচ্ছামত সেই পানি দিয়ে সেচ দিতো, একদিন তিনি দেখলেন সেই বাধে একটি বন্য ইদুর গর্ত খুড়েছেএতে করে তিনি বুঝলেন যে বাধ টি বেশি দিন টিকবে নাতাই তিনি ইয়ামন থেকে অন্যত্র চলে যাওার সিদ্ধান্ত নেনতার বংসধররা তার সাথে এই ব্যাপারে  বিরোধে লিপ্ত হয়এক পর্যায়ে তিনি তার ছোট ছেলেকে বললেন,আমি যখন তোমার সাথে খারাপ ব্যাবহার করে তোমাকে চড় দেব, তখন তুমিও আমাকে আক্রমন করবে এবং পালটা চড় দেবে  তখন তার ছেলে তার নির্দেশ মত কাজ করল।তখন আমর তার ছেলেকে বললঃ আমি এমন দেশে আর থাকবো না , যেখানে আমার ছেলে আমকে থাপ্পর দেয়।তারপর তিনি নিজের সমস্ত সম্পদ বিক্রির জন্যে বাজারে নিয়ে গেলেন।এ সময় ইয়ামানের কিছু গন্যমান্য ব্যাক্তি দেশবাসীকে  বলল, তোমরা আমরের রাগকে স্বাগত জানাও।তারপর তারা তার সম্পত্তি কিনে নিল।আমর তার নিজের কিছু সন্তান এবং পৌত্রদের নিয়ে দেশ ত্যাগ করলেন।
এই সময় বনু আযদ বলল , আমরাও আমর ইবনে আমীরের সাথে চলে যাব।এখানে থাকবো না।তারপর তা্রাও তাদের সমস্ত সম্পত্তি বিক্রি করে চলে গেল।বহু এলাকা পেরিয়ে তারা আকের নামক এলাকায় গিয়ে বসতি স্থাপন করল। আকের বংসধর তাদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হল।যুদ্ধে কখোনো তারা জিততো আবার কখোনো তারা হারতো।  তারপর তারা সেখান থেকে বেরিয়ে গেল এবং তারা বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়লো।হাফনা ইবনে আমীরের বংসধর সিরিয়ায়, আওস ও খাজরাজ ইয়াসরিবে(মদিনায়) , বনূ খজায়া মারয়ায় , আযদের বংসধর সারা ও আম্মানে বসতি স্থাপন করলো।এরপর আল্লাহ তায়ালা বন্যা দিয়ে মরিবের বাধ ভেংগে দিলেন। এ সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা সুরা সাবায় বলেন, 
১৫) সাবা  জন্য তাদের নিজেদের আবাসেই ছিল একটি নিদর্শন৷  দুটি বাগান ডাইনে ও বাঁমে৷ খাও তোমাদের রবের দেয়া রিযিক থেকে এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর৷ উত্তম ও পরিচ্ছন্ন দেশ এবং ক্ষমাশীল রব৷
১৬) কিন্তু তারা মখু ফিরালো৷ শেষ পর্যন্ত আমি তাদের বিরুদ্ধে পাঠালাম বাঁধভাঙ্গা বন্যা৷  এবং তাদের আগের দুটি বাগানের জায়গায় অন্য দুটি বাগান তাদেরকে দিয়ে দিলাম যেখানে ছিল তিক্ত ও বিস্বাদ ফল এবং ঝাউগাছ ও সামান্য কিছু কুল৷
কবি আশা বলেন, ইংগিত উপলব্ধিকারীদের জন্যে যথেষ্ঠ নিদর্ষন ও শিক্ষনীয় বিষয় রয়েছে।এবং বন্যা মারীব বাধ টিকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়। হিময়ার সেটি পাথর দিয়ে নির্মান করেছিলো।বন্যায় সেটি কখোনো তার ক্ষতি করতে পারেনি। সেই বাধ তাদের ফসল  ও আংগুরকে পানি দিয়েছে অকৃপন ভাবে।যখন তা বন্টিত হত, তখন তা সবার জন্যে পর্যাপ্ত হত। এরপর তারা এমন অভাবগ্রস্থ হয় যে,তারা দুধ ছাড়ানো বাচ্চাকে এক চুমুক পানিও দিতে পারতো না ।



ইসমাঈল আলাইহিস্ সালামের অধস্তন পুরুষদের বংশক্রম
ইসমাঈল আলাইহিস সালামের ঔরসে ১২ জন পুরুষ সন্তান জন্মগ্রহণ করেন। তাঁরা হলেন: নাবেত, কাইযার, আযরাল, মীশ, মাসমা, মাশী, দাম, আযর, তীম, ইয়াতুর, নাবাশ ও কাইয়ুম।
নাবেতের ঔরসে ইয়াসজুব, ইয়াসজুবের ঐরসে ইয়ারুব, ইয়ারুবের ঔরসে উদ এবং উদের ঔরসে আদনান জন্মগ্রহণ করেন।
আনদানের পর থেকে ইসমাঈলের বংশধরগণ গোত্রে গোত্রে বিভক্ত হয়ে পড়ে। আদনানের দুটি পুত্রসন্তান ছিল : মাআদ ও আক।
আক ইবনে আদনান চলে যান ইয়ামানে এবং সেখানেই তাঁর বংশধররা স্থায়ী বসতি স্থাপন করেন। আক সেখানকার বনু আশয়ার গোত্রে বিয়ে করেন এবং তাদের সাথেই বসবাস করতে থাকেন, ফলে তাদের দেশ ও ভাষা উভয়ই এক হয়ে যায়। বনু আশয়ার গোত্রের ঊর্ধতন পুরুষরা হলো : আশয়ার, তদীয় পিতা নাবাত, তদীয় পিতা উদ, তদীয় পিতা হামাইসা, তদীয় পিতা আমর, তদীয় পিতা উরাইব, তদীয় পিতা ইয়াশজুব, তদীয় পিতা যায়েদ, তদীয় পিতা কাহলান, তদীয় পিতা ইয়াশযুব, তদীয় পিতা ইয়ারুব ও তদীয় পিতা কাহতান।
আদনানের অপর পুত্র মাআদ ইবনে আদনানের চারটি সন্তান জন্মে : নিযার, কুদাআ, কানাস ও ইয়াদ। কুদাইর বংশধর হিমইয়ার ইবনে সাবা পর্যন্ত বেঁচে থাকার সৌভাগ্য অর্জন করে। কিন্তু মাআদ সংক্রান্ত বংশধর বিশেষজ্ঞের মতে, কানাস বিন মাআদের বাদবাকী বংশধর নিশ্চিহ্ন হযে যায়। তবে হিরার বাদশাহ নুমান ইবনে মুনযির তাদেরই বংশধর।

তথ্যসূত্রঃ সিরাতে ইবনে হিশাম (মূল বই-ইসলামীক ফাউন্ডেশন এবং সংক্ষিপ্ত বই ইসলামীক সেন্টার  ) 

Tuesday, November 1, 2016

সাত বোন ও নেকড়ে ( চীনা শিক্ষামুলক লোককাহিনী)



পৃথিবী তে আয়তনের দিক থেকে সবচেয়ে বড় দেশ গুলোর একটি হল চীন। আবার পৃথিবীর সবচেয়ে বেশী লোকের বাশ এই চীন দেশে।তাদের লোক কাহিনী গুলোও খুব সুন্দরর।
অনেক আগের ঘটনা এটি। সব সময়ই আকাশে চাঁদ উঠে। হঠাত একদিন আকাশে চাঁদ উঠে নি। অথচ সে রাতে আকাশ ভরা তারা ঝিকিমিকি করছিল। রাতের খাবার খুজতে সাতটা নেকড়ে বাঘ নিজেদের আকার পালটিয়ে  সাতজন যুবকের রুপ নিয়ে পাহাড়ের নিচে নেমে এলো। কিছু দুরেই এক বাড়িতে থাকতো সাতটি কুমারি মেয়ে। তারা ঘরে বসে সারাদিন সুতা কাটতো।তাদের ঘরের ফুটো দিয়ে,  নেকড়ে বাঘ গুলো সাত বোনকে দেখতে পেলো।ভেতরে ঢুকে মেয়ে কটাকে খেয়ে ফেলার জন্যে  তারা দরজার আঘাত করলো। দরজার ফুটো দিয়ে তারা বাহিরে সাত অচেনা যুবক কে দেখতে পেল। দরজা খোলার মত সাহস তাদের হল না।  দরজা খুলছে না দেখে  নেকড়ে বাঘ গুলো তাদের বলল। আমাদের গরুটা হারিয়ে গিয়েছে। সেটাই খুজতে গিয়েছিলাম। কিন্তু অন্ধকারে আমরা নিজেরাই রাস্তা হারিয়েছি। আমরা কি আপনাদের বাসায় রাতেই এই সময়টা থাকতে পারি?
মেয়েরা বলল,  আমরা এখানে আছি,কিন্তু আমাদের বাবা মা বাহিরে গিয়েছে,  আপনাদে থাকতে দিলে সমস্যা আছে।আপনারা অন্য জায়গায় দেখুন। তখন তারা বলল, ঠিক আছে,  আমরা আপনাদের বাড়ীতে থাকতে চাই না, কিন্তু একটু বিশ্রাম করতে না পাড়লে, আমরা আর একটুও এগোতে পারবো না। দয়া করে আমাদের অন্তত একটু বিশ্রাম করতে দিন।  তাদের মন গলে গেল,  তারা তখন দরজা খুললো। তাদের কে চেয়ারে বসতে দিল। তাদের কে চেয়ারে বসতে দেয়ার সময় বড় বোন খেয়াল করলো, তাদের প্রত্যেকেরই পেছন দিকে একটা করে লেজ গুটানো আছে। সে ভয় পেয়ে গেল আর কাউকে কিছু না বলে পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে গেল।
তার ঠিক পরের ছোট বোন অর্থাৎ বড়দের মাঝে ২য় সে অতিথিদের কে পা ধোয়ার জন্যে পানি দিল।পানি ঢেলে দেয়ার সময় খেয়াল করলো,  তাদের পায়ে ঘন কালো কালো লোম। সেও  ভয়ে শিউরে উঠলো এবং পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে গেল।
চার নম্বর বোন অতিথিদের কয়েকটি চালের পিঠা খেতে দিলো।পিঠা দেয়ার  সময় তাদের হাতে সুচোলো নখ দেখতে পেলো। আর যখনি তারা পিঠা নিচ্ছিল, হাতের সুচোলো নখের কারনে পিঠা গুলোয় পাঁচটা করে ফুটো হয়ে যাচ্ছিলো। ভয়ে তার শরীর অবশ হয়ে যাচ্ছিল।তার হাত থেকে পিঠা গুলো,  মাটিতে পড়ে যাচ্ছিলো। তার অবস্থা দেখে নেকড়েরা জিজ্ঞাসা করলো কি হয়েছে।  তার ও খুব পালিয়ে যেতে ইচ্ছে করছিল, কিন্তু ভয়ে তার পা গুলো যেন জমে গিয়েছিল।
কোন উপায় না দেখে সে আগের মতই আবার সুতো কাটতে বসল। বাহিরে তার চালচলন স্বাভাবিক দেখে নেকড়েরা আবার খেতে শুরু করলো। চার নম্বর বোন তার ছোট তিন বোন ক বললো,যারা এসেছে তারা মানুষ নয় নেকড়ে। মানুষ খাওয়া জন্যে তারা মানুষের রুপ ধরে এসেছে। এখনি কিছু একটা না করতে পারলে তারা আমাদের ধরে খেয়ে ফেলবে। ছোট তিন বোন ভয়ে কেদে  ফেলে এমন অবস্থা হল। কিন্তু নেকড়ে গুলোর শুনে ফেলার ভয়ে তারা কাদতেও পারছিলো না।   সবচেয়ে ছোট বোন বলল,  তুমি আমার বড়,  তুমি আমাদের বাচানোর একটা উপায় বের কর।
৬ নম্বর বোন তার ঠিক বড় বোন কে বললো,  তুমি তো আমার বড়,  আমাকে বাচাবার একটা উপায় বের করে দাও না। ৫ নম্বর বোন কিছুক্ষন হতভম্ব হয়ে থেকে তার বড় বোনকে বলল,  তুমি তো আমাদের সবার বড়,  দয়া করে আমাদের বাচাবার একটা উপায় বের করে দাও না। বড় বোন ঠিকই বুঝতে পেরেছিলো ,  এই নেকড়ে বাঘদের কবল থেকে পালানো খুবই কঠিন। সে তখন ছোট তিন বোন কে বলল,  আমাদের বোড় তিন বোন আমাদের আমাদের কে নেকড়ে বাঘের কবলে রেখে পালিয়ে গেল। আমদের নিজেদের কেই একটা বুদ্ধি বের করতে হবে। নাহলে আর বাচতে হবে না। সুতা কাটবার ছলে তারা ফিসফিস করে পরামর্শ  করতে লাগলো। কিছুক্ষনের মাঝেই চড়কার বনবন শব্দ কমে এলো। চার বো মাথা খাটিয়ে  একটা বুদ্ধি বের করল। চার নম্বর বোন দারিয়ে বলল তাদের অনেক ঘুম পেয়েছে। আপনাদের খাওয়া শেষ হত কতক্ষন?  উত্তরে তারা বললো,  বেশি রাত তো হয় নি।  তাছাড়া তোমাদের  বড়  বোনেরা এখোনো ফিরে আসে নি। তোমরা বরং আগুনের কাছে বসো ,  গা গরম হবে।

চতুর্থ বোন বলল,  ঠিক আছে,  আমরা একটু আগুন পুইয়ে নিই,  গা  গরম হবে। আগুনের কাছে গিয়ে সে বলল, আগুন টা কমে গিয়েছে,  আমি বরং উপর থেকে কিছু লাকড়ি নিয়ে আসি।
নেকড়ে বাঘ গুলো তাকে কোন সন্দেহ করলো না। চতুর্থ বোন উপরে উঠল,  লাকড়ি আনার ছুতোয়। কিছুক্ষন পরে উপর থেকে তার গলার আওয়াজ ভেসে আসল, সে ছোট তিন বোন কে ডাকছিলো আমি এতো কাঠ উপর থেকে নামাতে পারছিনা।  তোমরা তিনজন আমাকে একটু সাহায্য করবে। ছোট তিন বোন উপরে চলে গেলো। নিচে নেকড়ে রা অপেক্ষা করছিলো।  অনেক্ষন হয়ে গেল,  কিন্তু তাদের উপর থেকে কাঠ নিয়ে ফেরার  নাম নেই। শেষে তাদের আর ধৈর্য হল না,  বড় নেকড়ে টি উপরে গেল,  কি হয়েছে দেখার জন্যে।  কিন্তু অনেক ক্ষন হয়ে গেল তার আর ফেরার নাম নেই।এর পর এক জন একজন করে আরো দুই নেকড়ে উপরে গেলো,  কিন্তু কারোই আর ফেরার খবর নেই। বাকি নেকড়ে গুলো তখন  আস্তে আস্তে লাইন ধরে সিড়ি দিয়ে উপরে উঠতে লাগলো। কিন্তু সিড়ি যেখানে শেষ হয়েছে চার বোন সেখানে অপেক্ষা করছিলো। সিড়ি বেয়ে প্রথম নেকড়েটি উপরে মাথা ঢোকাতেই দেখলো চার বোন সেখানে লাঠি নিয়ে অপেক্ষা করছে।  চার বোন ই তাকে গায়ের সকল জোড় এক করে দিলো বাড়ি,  আর সে সাথে সাথেই সে উলটিয়ে পড়লো বাকি নেকড়ে দের নিয়ে নিচে ফায়ারপ্লেস এর উপর। ভয়ে নেকড়ে গুলো দৌড়ে বেরিয়ে গেল বাড়ি থেকে। এই সুযোগে মেয়েরা ঘরের খিল এটে দিলো।নেকড়েরা বুঝতে পারলো,  এই মেয়ে গুলো বড় তিন নেকড়েকে খতম করেছে। রাগে তারা তাদের আসল রুপ ধারন করলো। থাবা মেরে দরজা ভাংগার চেষ্ঠা করলো। কিন্তু প্রচন্ড মজবুত দরজা তারা ভাংতে পারলো না।  শেষে তারা ভাবল পিছনের দরজা ভাংগা যায় কিনা।  কিন্তু পিছনের দরজাও শক্তভাবে বন্ধ।
পিছনের দরজার কাছে এক নেকড়ে একটি পিপে দেখতে পেলো। পিপের ঢাকনাটা ঠিক মতো লাগেনি। সে উকি মারতেই একটি দুল পড়া কান দেখতে পেলো। সাথে সাথেই সে এক কামড়ে দুল পড়া কানটাই ছিড়ে নিল।  ওদিকে আর এক নেকড়ে একটা পা দেতে পেল গাছ থেকে ঝুলছে। সে নিচে থেকে লাফ দিয়ে তার পায়ের একটা আংগুল কেটে নিল।  আর এক নেকড়ে পিছনে ঘুরতে ঘুরতে একটি ঝোপের ভিতর থেকে কিছু একটা বেরিয়ে থাকতে দেখলো।অমনি ঝাপিয়ে পড়ে সে এক কামড় দিলো।সেখানে আসলে ছিল তাদের আর এক পালিয়ে যাওয়া বোন।  নেকড়েটি কামড়ে তার পশ্চাতদেশ এর মাংছিড়ে নিয়েছিলো।যাতে করে সে দীর্ঘ দিন আর কোথাও বসতে পারবে না।

স্বার্থপর দের আল্লাহ এভাবেই শাস্তি দেন। বড় বোন,  মেঝো বোন আর সেঝো বোন তাদের স্বার্থপরতার জন্যেই ক্ষতিগ্রস্থ হল। আর ছোট চার বোন সাহসি ভাবে পরিস্থিতির মোকাবেলা করে বেচে গেলো।
Protected by Copyscape

Popular Posts