Search This Blog

Total Pageviews

Sunday, February 17, 2019

Poetics - Aristotle - Chapter 7 - The Scope of the Plot - Bangla Translation and Explanation




সূচনা ও ১ম পরিচ্ছেদ এর বাংলা অনুবাদ - ব্যাখ্যা ও টিকাসহ
Poetics - Aristotle
Chapter 7 - The Scope of the Plot 
Bangla Translation and Explanation
সপ্তম পরিচ্ছেদ - নাট্টনকশা বা প্লটের প্রসার
ট্রাজেডির সংজ্ঞা আলোচনার পর আমি এর প্রথম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ অর্থাৎ ঘটনার ব্যাবস্থাপনা সম্পর্কে আলোচনা করব। আমি আগেই বলেছি ট্রাজেডি হল এমন এক ক্রিয়ার উপস্থাপন যা সম্পূর্ন এবং সমগ্র আর এর রয়েছে একটি নির্দিষ্ট বিস্তার। তবে এটি পূর্ণ হলেও এর বিস্তারে কিছুটা ঘাটতি থাকতে পারে। পূর্ণতা বলতে বুঝায় এর শুরু, মধ্য শেষ থাকবে। শুরু হচ্ছে সেটাই যা কোন কিছুর পরে আসবে না এমন নয়, যদিও এর পরে অন্য কিছু আসতেই পারে। অপরদিকে, শেষ বলতে বুঝায় এমন কিছু যা স্বাভাবিকভাবেই অন্য ঘটনা পরে আসে, একটা অনিবার্য ফল হিসাবে অথবা ঘটনার সাধারণ পরিণতি হিসেবে; কিন্তু যার পরে অন্য কিছু থাকে না। মধ্য হচ্ছে তাই যা স্বাভাবিকভাবেই কোন কিছুর পরে আসে এবং যার পরে অবশ্যই অন্য কিছু এসে যায়। সুগঠিত নাট্টনকশা বা প্লট তাই যেখানে সেখানে শুরু হতে পারে না, আর যেখানে সেখানে শেষও হতে পারে না। এর শুরু এবং সমাপ্তি অবশ্যই বর্ণিত নিয়ম মাফিক হতে হবে। তারপর, যা কিছু সুন্দর, তা সজীব কোন প্রাণীই হোক বা বিভিন্ন অঙ্গের যথাযথ সংস্থানের ফলে সৃষ্ট একটি বস্তু সমগ্রই হোক, তাকে শুধু যে অঙ্গ বিন্যাসের দিক থেকেই অবশ্য সুসামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে তাই নয়, তাকে উপযুক্ত আয়তন-বিশিষ্টও হতে হবে। কারণ সৌন্দর্য বস্তুর আয়তন এবং অঙ্গবিন্যাসের সামঞ্জস্যের উপরই নির্ভরশীল। এই জন্যই অতি ক্ষুদ্র প্রাণীদেহ সুন্দর হতে পারে না, তেমনি পারে না, অতি বিশালদেহীও। অতি ক্ষুদ্র পলকের জন্য চোখে ধরা দিয়ে মিলিয়ে যায় বলেই তার ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য রূপ কখনই প্রায় স্পষ্ট হয়ে ওঠে না; আর অতি বিশালদেহী প্রাণী, ধরা যাক তার দৈর্ঘ্য এক হাজার মাইল তাঁর সম্পর্কেও কথা চলে; কারণ চোখের দৃষ্টি একসঙ্গে অত বিশাল একটা জিনিসের সমগ্র রূপকে ধরতে পারে না বলে, দর্শকের চোখে বস্তুর ঐক্য সমগ্রতা ধরা দেয় না। এখন কথা হল, নানা অঙ্গের সুস্থ বিন্যাসের ফলে সৃষ্ট একটি সুন্দর বস্তুসমগ্রই হোক অথবা একটি সুন্দর সজীব প্রাণীদেহই হোক তাকে যেমন অবশ্যই সীমিত আয়তন বিশিষ্ট হতে হবে, যাতে সহজেই তা দৃষ্টি গ্রাহ্য হয়, তেমনি ট্রাজেডির প্লটের দৈর্ঘ্যও পরিমিত হবে, যাতে করে সহজেই তাকে স্মৃতিতে ধরে রাখা যায়। সাধারণ্যে মঞ্চাভিনয়ের ব্যাপার এবং শ্রোতামণ্ডলীর রসাস্বাদন ক্ষমতা নাটকের দৈর্ঘ্যসীমাকে কিভাবে নিয়ন্ত্রিত করে, তা স্থির করার কাজ নাট্যকলার আওতায় পড়ে না কারণ নাট্য প্রতিযোগিতায় যদি একশত ট্রাজেডির অভিনয়ের ব্যবস্থা হত, তাহলে তাদের উপস্থাপনার দৈর্ঘ্যসীমা জলঘড়ি দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হত; বাস্তবিক, শোনা যায়, এক সময় নাকি এঁরূপই করা হত। নাটকীয় ঘটনার নিজস্ব প্রকৃতি দ্বারা নির্দিষ্ট সীমা আপন সমগ্রতা নিয়ে সুস্পষ্ট সুসমঞ্জস রূপে ধরা দিলে, কাহিনীর দৈর্ঘ্য যত বেশী হবে, নাটকও বিস্তৃতিগুণে তত সুন্দর হয়ে উঠবে। সোজা কথায় বলতে গেলে, সম্ভাব্যতা অথবা অবশ্যম্তাবিতার সূত্রানুযায়ী যে সীমার মধ্যে ঘটনা পরম্পরায় নাটকের নায়কের জীবনের, দুঃখ থেকে সুখে অথবা সুখ থেকে দুঃখে পরিবর্তনের চলমান ছবি দেখানো সম্ভব, তাই হচ্ছে নাটকের যথার্থ দৈর্ঘ্য। ব্যাখ্যা ও টিকা নিচে দেখুন। 


ব্যাখ্যা ও টিকাঃ 
১। সে সময় সাধারণত প্রতিযোগীতার জন্যে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক নাটককে বাছাই করা হত। এরিস্টটল নিজেও বলেছেন তিনি শুনেছেন। অনেক বেশি নাটক হলে এর জন্যে সময় বেধে দেয়ার বিষয়টি শোনা কথা, এরকম ঘটনার পক্ষে কোন সাক্ষ্য প্রমান পাওয়া যায় না।

No comments:

Post a Comment

Popular Posts