Saturday, December 29, 2018

Nun's Priest's Tales Bangla translation - নান'স প্রিস্ট'স টেলস বাংলা অনুবাদ শেষ পর্ব

nun's priest's tales  bangla translation
Nun's Priest's Tales  Bangla translation - নান'স প্রিস্ট'স টেলস বাংলা অনুবাদ শেষ পর্ব 

Nun's Priest's Tales  Bangla translation - নান'স প্রিস্ট'স টেলস বাংলা অনুবাদ শেষ পর্ব 

৩য় পর্ব শুরুঃ 

স্ত্রীলোকের পরামর্শ প্রায়ই অঘটন
ঘটায়। আদম স্বর্গে সুখে শাস্তিতে বাস করছিল,
সেও এক সময় স্বর্গ ছাড়তে বাধ্য হয় আর এতে করে
মানব জীবনে দুর্ভাগ্যের সূচনা হয়েছিল স্ত্রীলোকের
পরামর্শের কারণেই কিন্তু স্ত্রীলোকের পরামর্শে
দোষ ধরলে কেউ আবার রাগ করবেন কি না জানি না,
অতএব, বিষয়টা স্থগিত থাক, আমি এটা শুধু
মজা করার জন্যই বলেছি। বিষয় নিয়ে যারা লেখালেখি
করেছেন তাঁদের গ্রন্থাবলি পাঠ করুন, তাহলে রমণী
বিষয়ে তাদের সুচিন্তিত মতামত জানতে পারবেন।
এগুলো সবই মোরগের কথা, আমার কোনো কথা নয়;
আমি তো রমণীর কোনো ক্রুটির কথা ভাবতেই পারি না।
রূপসী পার্টেলোট তার বোনদের নিয়ে সূর্যের
দিকে পিঠ রেখে বালির উপরে শুয়ে মনের আনন্দে
রোদ পোহাতে লাগল। আর মহিমান্বিত
চ্যান্টিক্লিয়ার, সমুদ্রের জলপরিদের চাইতেও
অধিক উৎফুল্ল হয়ে সঙ্গীত পরিবেশন করতে
লাগল। ল্যাটিন গ্রন্থ ফিজিওলোগাস-
আছে জলপরিরা মনের সুখে গান গায়।
এরই মাঝে হয়েছে কি, পাশের পুষ্পকুঞ্জে
একটি প্রজাপতির উপরে চোখ রাখতে গিয়েই
সে লুকিয়ে থাকা শেয়ালটিকে দেখে ফেলল,
তৎক্ষণাৎ চিৎকার করে উঠার ইচ্ছে ছিল না তার,
কিন্তু হঠাতই সে কক কক শব্দে চিৎকার করে
শত্রুভয়ে ভীত মানুষের মতই কেঁপে উঠল। কারণ
অদ্ভুত কোনো জীবকে দেখামাত্রই যেকোনো জীব
তার প্রকৃতি অনুযায়ীই সেটার নিকট হতে দৌড়ে পালাতে চায়।

চ্যান্টিক্লিয়ারও হয়ত শেয়ালটাকে দেখামাত্র
দ্রুত পালিয়ে যেত, যদি শেয়ালটা তাকে ডাক
দিয়ে না বলত যে, আহা, প্রিয় মহোদয়, আপনি
যাচ্ছেন কোথায়? আমি হলাম আপনার
বন্ধুজন আর আপনি কিনা আমাকে দেখে
ভয় পাচ্ছেন? সত্যি করে বলছি, আমি যদি
আপনার ক্ষতি করি কিংবা আপনার উপর
কোনো অন্যান্য জুলুম করি তাহলে আমি
শয়তানের চাইতেও নিকৃষ্টমানের আমি লুকিয়ে
লুকিয়ে আপনার কাজকারবার দেখতেও
আসিনি। আমার আসার একমাত্র উদ্দেশ্য
হচ্ছে আপনার গান শোনা। সত্যি করেই
বলছি, আপনার কণ্ঠস্বর একেবারে স্বর্গের অন্সরার
মতই। বোয়েসি কিংবা অন্য কোনো গায়কের
আবেগের চাইতে আপনার সঙ্গীতের আবেগ অনেক
বেশি। আমার প্রভু, অর্থাৎ আপনার পিতা--মহান
ঈশ্বর তার আত্মার মঙ্গল করুন আর আপনার
দয়াবান মাতা আমার বাড়িতে পায়ের ধুলো
দিয়ে আমাকে ধন্য করেছেন। তাই মহোদয়
আমি আপনার সন্তুষ্টি বিধান করার জন্য
খুবই আকুল হয়ে আছি। কিন্তু গানের ব্যাপারে,
আমি সবকিছু দু চোখে দেখতে চাই বলেই
এটা বলতে বাধ্য হচ্ছি যে, ভোরবেলায়
আপনার পিতা যেমন সঙ্গীত পরিবেশন
করতেন তেমনটি আর কখনো শুনিনি।
এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, তিনি খুবই মনে-প্রাণে
গান করতেন। কণ্ঠস্বরকে আরো জোরালো
করার জন্য, উচ্চস্বর বের করার জন্য তিনি
এতটাই জোর দিতেন যে, এতে তিনি তার চোখ
দুটো বন্ধ করে রাখতেন। আর দুপায়ের
গোড়ালিতে ভর করে, তার দীর্ঘ সরু গলাটাকে
উর্ধ্বপানে তুলে ধরতেন। তার বিচার বিশ্লেষণ
ক্ষমতা এতটা অসাধারণ ছিল যে, সঙ্গীত
কিংবা জ্ঞানের যেকোনো শাখায় তাকে ছাড়িয়ে
যাওয়ার মত কেউ দেশে ছিল না। কাব্যের
মধ্যে আমি '“বার্নিয়েল দি আ্যাস' খুবই মনোযোগ
সহকারে পাঠ করেছি। কোনো যাজকের
এক বোকা পুত্র একটি মোরগের পায়ে আঘাত
করেছিল বলে সে পুরোহিত তার বৃত্তির অর্থ
থেকে বঞ্চিত হয়েছিল আর আপনার পিতার
"জ্ঞান বিচারবুদ্ধির সাথে মোরগের বিচারবুদ্ধির
কোনো তুলনাই চলে না। মহোদয়, এবার আপনি
আপনার গান শুরু করুন; দেখি আপনিও
আপনার পিতার মতই সঙ্গীত পরিবেশন করতে পারেন কি না।

তোষামোদে মুগ্ধ হয়ে মানুষ যেমন শত্রুর
বিশ্বাসঘাতকতার রূপটি ধরতে পারে না
চ্যান্টিক্লিয়ারও তেমনি পাখা ঝটপট করতে লাগল।

হায়! ভদ্রমহোদয়বৃন্দ, আপনাদের সভামঞ্চে যারা সত্য
কথার তুবড়ি যতটা ছোটায় তার চাইতে বেশি লোক তারা মিথ্যে স্তুতি
করে কিংবা অনেক মানুষই মুখে মিষ্টি মিষ্টি কথা
বলে আপনাদের মন জয় করে থাকে। মোসাহেবি
নিয়ে লিখা '“একেলিয়াস্টি অব ফ্লাটারি' গ্রন্থটি
পাঠ করবেন, মহোদয়গণ, বিশ্বাসঘাতক মোসাহেবদের
হতে সতর্ক থাকুন

চ্যান্টিক্লিয়ার তার নখে ভর দিয়ে সোজা হয়ে
দাড়াল, গলাটা উর্ধ্বপানে তুলে ধরল, চোখ দুটো
বুজল, আর উচ্চস্বরে ডাক দিতে লাগল। আর
সে সময় সেই শেয়াল স্যার রাসেল এক লাফে
চ্যান্টিক্লিয়ারের গলাটা চেপে ধরে তাকে পিঠের
উপর চাপিয়ে নিয়ে জঙ্গলের দিকে দৌড় দিল,
সে সময়ও শেয়ালটাকে কেউ তাড়া করেনি।
ওহ্‌, নিয়তি, তোমার হাত থেকে পরিত্রাণ
নেই কারো। হায়! কেন যে চ্যান্টিক্লিয়ার দাঁড়
হতে নেমে এসেছিল হায়, কেন যে তার
স্ত্রী তার দেখা স্বপ্নের বিষয়টির গুরুত্ব দিল না,
আর সব বিপদই শুক্রবার দিন ঘটে গেল।

ওহ্‌, সর্বসুখের দেবী ভেনাস, চ্যান্টিক্লিয়ার তো
আপনারই, নিজের সুখের দিকে না তাকিয়ে
সে জাতি রক্ষা করার জন্যই
মনেপ্রাণে সে আপনার সেবা করে যচ্ছে। তবু
আপনার নিয়ন্ত্রিত দিবসে আপনি কেন তাকে
মৃত্যুর কোলে তুলে দেবেন।
ওহ্জিউফ্রে, প্রিয় প্রভু আমার, আপনার
মহান রাজা রিচার্ড শরবিদ্ধ
হলে আপনি যে শোকের মাতম তুলেছিলেন;
আজ আপনার মত করেই শুক্রবারকে
দোষী সাব্যস্ত করে ঘোষণা দেয়ার মত শক্তি
আর শিক্ষা কেন আমার নেই। কারণ তিনিও
তো শুক্রবারেই নিহত হয়েছিলেন। আমার যদি
সে শক্তি থাকত তাহলে আপনাকে দেখাতাম
চ্যান্টিক্লিয়ারের ভীতি এবং বেদনার জন্য আমি
কতটা শোকের মাতম করতে পারি।
চ্যান্টিক্লিয়ারকে শেয়ালের থাবায় পাকড়াও
হতে দেখে খামারের সকল মুরগি এমন তারস্বরে
চিৎকার করে শোকের মাতম করতে লাগল যে, ঈনিড
কাব্যে বর্ণিত, ট্রয় বিজিত হওয়ার পর পিরাস যখন
খোলা তরবারি হাতে রাজা প্রায়ামের দাড়ি ধরে
হ্যাচকা টানে তাকে হত্যা করেছিল সে সময়েও
প্রায়ামের প্রাসাদের রমণীরা এমন শোক প্রকাশ
করেনি। রোমানগণ কার্থেজ পুড়িয়ে দেয়ার কালে
হ্যাসড্রুবলস কে হত্যা করলে তার স্ত্রী যে রকম
উচ্চস্বরে ক্রন্দন করেছিল তার চাইতেও উচ্চস্বরে
চিৎকার করে কাঁদতে লাগল রানী পার্টেলোট।
রাগে বেদনায় সে এতটাই আচ্ছন্ন হয়েছিল
যে, নিজের ইচ্ছাতেই আগুনে ঝাঁপ দিয়ে পুড়ে মরল।

ওহ্‌, হতভাগিনী মুরগি সকল, যখন
রোম নগরী আগুন ভস্মীভূত করছিল আর
সে সময় নিরপরাধ সিনেটরগণ নিরোর হাতে
নিহত হলে তাঁদের পত্মীরা যে রকম কেঁদেছিল তোমরাও
তেমনি আকুল হয়ে কেঁদেছ। আমি এবার
আমার গল্পে ফিরে আসছি।

খামার মালিক সেই গরিব বিধবা আর তার
দুই মেয়ে, মুরগিগুলোর এমন শোকের মাতম শুনে
তক্ষুণি দৌড়ে ঘর থেকে বের হল। বেরিয়েই দেখতে পেল
মোরগটাকে পিঠে তুলে নিয়ে শেয়ালটা জঙ্গলের
দিকে দৌড়ে পালাচ্ছে। ওরা সবাই চিৎকার দিল,
বের হও সবাই! সহায়তা করো, হায়, পোড়া কপাল,
দেখো, একটা শেয়াল। এটা বলতে বলতেই তারা
সবাই শেয়ালটাকে তাড়া করল; আরো অন্যান্য
লোকজনও লাঠিসোটা নিয়ে ছুটে এল। কুকুর

কোল্লি, মোর টালবট, গারল্যান্ড আর মালকিন তকলি
হাতে করে পেছনে পেছনে ছুটতে লাগল। কুকুরের
ঘেউ ঘেউ, লোকজনের চিৎকার, গরু বাছুর আর
শূকরগুলোও শব্দ করে তাদের পেছন পেছন ছুটতে
লাগল। সবাই এত জোরে ছুটতে লাগল যে,
মনে হল তাদের বুক চৌচির হয়ে যাবে, নরকের.
শয়তানের মতই তারা চিৎকার করতে লাগল;
পাতিহাঁসগুলো এমন প্যাঁপ্যাঁ শব্দ

করতে লাগল যে, মনে হচ্ছে তাদের যেন জবাই
করা হচ্ছে, রাজহাঁসগুলো ভয় পেয়ে উড়ে গাছে গিয়ে
বসল। এত জোরে হৈহল্লা হতে লাগল যে, মৌমাছি
গুলো পর্যন্ত মৌচাক ছেড়ে চলে গেল।

বাপরে বাপ! সেদিন শেয়ালের পেছনে তাড়া করার সময়
যে জোর চিৎকার চেঁচামেচি উঠেছিল ফ্লেমিংকে হত্যা করার
সময় জ্যাক স্ট্র আর তার দলবলও এর অর্ধেক
হৈহল্লা করেনি। পিতল, কাঠ, শিং হাড়ের তৈরি
নানা ধরনের বাদ্যযন্ত্র এনে তারা বাজাতে লাগল
এর সাথে চলতে লাগল তাদের ম্ফম্ফ আর
কান ফাটা চিৎকার, মনে হচ্ছিল এক্ষুণি যেন
আকাশটা ভেঙ্গে পড়েব।

সুধীবৃন্দ, অনুগ্রহপূর্বক মনোযোগ সহকারে
শুনুন। ভাবুন একবার, ভাগ্যদেবীর হাতে তার শত্রুর
আশা আর গর্ব কেমন উলটপালট হয়ে যায়।
শেয়ালের পিঠে পড়ে থেকে মোরগটি ভয়ে ভয়ে
তাকে বলল, মহোদয়, মহান ঈশ্বরের ইচ্ছায়,
আমি যদি এখন আপনার মত অবস্থায়
পতিত হতাম তাহলে বলতাম, অহংকারী
চাষিরা, তোমরা ঘরে ফিরে যাও, তোমাদের
উপর মড়ক নেমে আসুক,
এই তো, আমি জঙ্গলের কাছে পৌছে গেছি। .
মোরগটা আমারই আওতায় থাকবে, এটা
জেনে রাখো তোমরা যত চেষ্টাই কর না কেন,
ওকে আমি খাবই, এতে একটুও বিলম্ব করব না আমি।
শেয়াল বলল, যথার্থ বলেছ, তাই হবে এই
কথা বলা মাত্রই মোরগটি তার মুখ ফসকে
উড়ে গিয়ে একটা গাছে গিয়ে বসল।

মোরগটাকে উড়ে যেতে দেখে শেয়াল বলল,
হায়! চ্যান্টিক্লিয়ার, হায়! তোমাকে খামার
থেকে ধরে আনার সময় তোমাকে ভয় পাইয়ে
দিয়ে আমি খুবই গর্হিত কাজ করেছি, কিন্তু
মহোদয়, আমার কোনো খারাপ ইচ্ছা ছিল না।
নিচে নেমে আসুন, আমি আমার আসল
উদ্দেশ্যটা আপনাকে বলছি, মহান ঈশ্বর
আমার মঙ্গল করুন, এবার আমি আপনাকে
আসল কথাটিই বলব।
চ্যান্টিক্লিয়ার বলল, না, মোটেই না, আমি
আমাদের দুজনকেই অভিশম্পাত করছি; কিন্তু
এরপরও যদি তুমি আমাকে বোকা বানাতে
পার, তাহলে আমি নিজেই নিজেকে অভিশাপ
দেব, অভিশাপ দেব আমার রক্তে-মাংসের শরীরকে,
সবকিছুকে। তোষামোদে ভুলিয়ে আমাকে
আর চোখ বন্ধ করে গান গাওয়াতে পারবে না।
কারণ যখন চোখ খোলা রাখার কথা তখন যদি
কেউ চোখ বন্ধ করে রাখে, তাহলে মহান ঈশ্বর
যেন তার কোনো দিন কোনো উন্নতি না করেন।

শেয়াল বলল, না, তবে যখন মুখ বন্ধ করে
রাখা উচিত তখন কেউ যদি আত্মসংযম রক্ষা
করতে না পেরে কথা বলতে থাকে, মহান
ঈশ্বর তার উপরে দুর্ভাগ্যের বোঝা চাপান।

তাহলে দেখুন, সতর্ক না থাকা, দায়িত্বে
অবহেলা আর তোষামোদে গলে যাওয়ার এই পরিণতি।

কিন্তু, সুধিবৃন্দ, আপনারা যদি মনে করে
থাকেন যে, এটা শেয়াল আর মোরগ-মুরগি
নিয়ে একটা আহাম্মকির কাহিনী, তাহলে
এর নীতিবাক্যটা মনে রাখবেন কারণ সেন্ট
পল বলেছেন, যা কিছু লিখা হয় তা আমাদের
শিক্ষার জন্যই লিখিত হয়, এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহের
অবকাশ নেই, খোসা ফেলে ভেতরের শাঁসটা নাও।

এবার, মহান ঈশ্বর, আপনি যদি ইচ্ছা করেন,
তাহলে আমাদের সবাইকেই সৎলোক হিসেবে তৈরি
করুন এবং স্বর্গলোক হতে আমাদের আশীর্বাদ করুন।
আমেন!
[মঠের সন্ম্যাসিনীর পুরোহিতের গল্পের এখানেই সমাপ্তি]

গল্পের উসংহার
সরাইখানার মালিক তৎক্ষণাৎ বলল,
সন্ন্যাসিনীর পুরোহিত মহোদয়, আপনার
পাজামা আর পাথরের জয় হোক! চ্যান্টিক্লিয়ায়ের
কাহিনীটা খুবই মজাদার। সত্যি করেই বলছি,
আপনি সাধারণ স্তরের মানুষ হলে একটি
ভালো মোরগ হতে পারতেন। আমার ধারণা,
আপনার যেমন শক্তি তেমন মনের
জোর থাকলে আপনার অবশ্যই একটি মুরগি
প্রয়োজন, তা সংখ্যায় সতেরোর সাত গুণের চাইতেও
বেশি। আপনারা লক্ষ করুন, এই ভদ্র পুরোহিত মহোদয়ের
শরীরটা কেমন শক্ত, সুঠাম, কী তার কাধ আর
বিশাল বুকের ছাতি, চড়ুই আর বাজপাখির মত
তীক্ষ তার চোখের দৃষ্টি, রংটা টকটকে
লাল। পর্তুগাল হতে লাক্ষা এনে শরীরটা
রঙিন করার কোনো প্রয়োজন নেই। আপনার
গল্পের জন্য আপনার সার্বিক মঙ্গল কামনা
করছি।


No comments:

Post a Comment

Trending