Thursday, July 21, 2016

মিনি গল্প---গুরু ও শিষ্য




একবার এক বিজ্ঞ শিক্ষক তার শিষ্যদের বললেন,এই নাও কাচাঁ-মরিচ।একটি বিড়ালের দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে বললেন,বিড়ালটিকে কাচাঁ-মরিচ খাওয়াইতে হবে।দেখি তোমরা কিভাবে খাওয়াও!!!প্রথম শিষ্য বিড়ালকে ধরে তার মুখে কাচাঁ-মরিচ ঠেসে দিতে লাগল।সে ব্যর্থ হলো,বিড়ালের নখের আঘাতে কিছুটা আহতও হইলো।দ্বিত্বীয় শিষ্য টি এক বাটি দুধ আনিয়া তাতে মরিচ মিশিয়ে দিলো।বিড়াল গন্ধ শুকে চলে গেল।এই-ভাবে প্রত্যেকেই চেষ্টা কররে ব্যর্থ হলো।শেষে বিজ্ঞ ব্যক্তিটি বলিলো,আমাকে দাও।(বিঃদ্রঃ উস্তাদের মাড় শেষ রাতে)তিনি একটি মরিচ নিয়ে বিড়ালের পশ্চাৎদেশে ঘষে দিলেন।সবাই অবাক হয়ে দেখলো,বিড়াল নিজের পশ্চাৎদেশের মরিচ স্বেচ্ছায় চেটে খাচ্ছে,!!...............................................পাকিস্তানীরা আমাদের উর্দু খাওয়াইতে চাহিয়াছিল।ব্যর্থ হইয়াছে।ভারতীয়রা আমাদের পশ্চাৎদেশে হিন্দী ডলিয়া দিয়াছে।জ্বলিতেছে বটে,কিন্তু আনন্দে নাচিতেও হইতেছে,!!

মিনি গল্প - ইন্টারভিউ




ইন্টারভিউ চলছে,, বোর্ডের সবার সাথে বসে এম, ডি সাব প্রশ্ন করছেন আর বল্টু উত্তর দিচ্ছে!হঠাৎ এম, ডি সাব বুঝতে পারলেন বল্টু ভাইবার সব উত্তর দিচ্ছে ঠিকঠাক তাহলে পল্টুর কাছ থেকে যে চাকরি দিবে বলে ৫ লাখ টাকা নিছে তার কি হবে? তাই তিনি বল্টুর দিকে তাজ্জব ভাবে চাইয়া একটু মুচকি হেসে মনে মনে একটা তাজ্জব প্রশ্ন বানাইলেন, ভাবলেন এইবার আর বল্টু যাবে কই? তিনি বল্টুকে বললেন তোমার শেষ প্রশ্ন এটাই, এর উত্তর সঠিক হলেই চাকরি হবে আর না হলে গেট আউট,,! বল্টু বলল স্যার আমি প্রস্তুত! এম ডি সাব গলাটা ঝেড়ে বললেন, এই মুহুর্তে এইখানে দাঁড়িয়ে আমাদের সবার সামনে তোমাকে এমন একটা তাজ্জব কাজ করতে হবে, যা দেখে আমরা সবাই তাজ্জব হয়ে যাই!!
বল্টু একটু মাথা চুলকিয়ে, মুচকি হেসে ধীরে ধীরে এম ডির কাছে গিয়ে বলল স্যার এইটা কোন ব্যাপারইই না ....এই বলেই শরীরের সকল শক্তি দিয়ে এম ডির গালে দিল কষে এক থাপ্পড়!
বোর্ডের সবাই তো তাজ্জব???
দু মিনিট বাদে এম ডি মাথা তুলে দেখে সবাই এতটাই তাজ্জব যে তাদের হা করা মুখে ইতোমধ্যেই দু চারটে মাছিও ঢুকে গেছে!!
গালে হাত ঘষে আর একটু মুচকি হেসে বললেন বল্টু, তুমি সত্যিই সবাইকে তাজ্জব বানাইয়া দিছো, তোমার চাকরি ওকে! কালকেই জয়েন!!

গ্রাম বাংলার মজার গল্প ----জামাই-শ্বশুর (পর্ব -২)





গ্রাম বাংলার মজার গল্প -জামাই-শ্বশুর পর্ব ১ পড়তে ক্লিক করুন এখানে




তিনি জামাই কে বললেন, জামাই,  খাওয়া তো শেষ হয়েছে, এবার তাহলে হাত ধোও। জামাই দেখলো, শ্বশুর মশাই তাকে ক্ষির থেকে বঞ্চিত করার মতলব করেছেন। জামাইও কম চালাক নন। সে একটা গল্প ফেদে বসল, "হাত আর ধোব কি! আপনার বাড়িতে আসার সময় সামনে পড়ল এক প্রকান্ড সাপ। বললে বিশ্বাসই করবেন না,  ঐযে শিকার উপরে ক্ষিরের হাড়িটা ঝুলতেছে না, ঐ অত উচু এক ফনা মেলে ধরলো আমার দিকে।
শ্বশুর বুঝতে পাড়লেন, ধড়া পড়ে গেছেন।জামাই ক্ষীরের কথা টের পেয়ে গেছে। তিনি তাড়াতাড়ি বলে উঠলেন, "তাই তো ক্ষীরের কথা তো একেবারেই ভুলে গিয়েছিলাম,
  আন,  আন,  ক্ষীর আন।
শাশুড়ি একটু মুচকি হাসিয়া তাড়াতাড়ি ক্ষীর এনে দিলেন। জামাই চিন্তা করলো, শ্বশুর আব্বা আমাকে ক্ষীর খাওয়া থেকে বঞ্চিত করতে চেয়েছে,
  এই বার আমি তাকে ক্ষীর খাইতেই দেব না। জামাই শ্বশুর এর সাথে গল্পি আরম্ভ করলো, " এখন কার কলিকালের কথা আর কি বলবো, আব্বা!  বউরা আর স্বামীকে মানতে চায় না।  এই যে ধরেন আপনাদের মেয়ে,  যাকে আমি বিয়ে করেছি; আমি যদি তাকে বলি এই দিকে থাকো সে চলে যায় ঐদিকে" বলার সংগে সংগেই  তা দেখিয়ে দেবার অজুহাতে জামাই ক্ষীর টুকু নিজের দিকে টানিয়া নিয়ে, ভাত গুলি শ্বশুর এর দিকে ঠেলে দিলো।
শ্বশুর দেখলেন, ঠকাইবার মতলবে,
  জামাই আজ আমাকে ক্ষীর খাইতে দিবে না। মনে মনে বললেন,  আচ্ছা,  দেখাইতেছি। উপদেশের ছলে শ্বশুর বললেন,  " তা বাবাজী তোমরে ছেলে ছোকড়া মানুষ। মিলমিশ হইয়া থেকো।বলতে বলতে,  কিভাবে মিলমিশ হয়ে থাকতে হবে, তা দেখানোর অজুহাতে  ক্ষীর ও ভাত একসাথে মেখে ফেললেন।
বড়
  আনন্দের  সংগ শ্বশুর আর জামাইর খাওয়া শেষ হল।

গ্রাম বাংলার মজার গল্প ----জামাই-শ্বশুর (পর্ব -১)






অনেক দিন জামাই শ্বশুর বাড়ীতে আসে না।  সেই জন্যে শ্বশুরের বড় নিন্দা, লোকেরা বলে তোমাদের বাড়ী জামাই আসে না কেনো।নিশ্চই ইহার মাঝে কোন গোপন কারন আছে।
কারন যা আছে,
  শ্বশুর তা ভালোই জানেন। কারন হোল মেয়ে এক বাবার এক সন্তান।তাই শ্বশুর  বাড়ীতে শালা,  শালী নাই।তাই আনন্দ ফুর্তি করার কেউই নাই।সে জন্যেই জামাই শ্বশুর বাড়ীতে আসে না।
অনেক ভেবে চিনতে ঠিক করলেন,
  জামাই বাবা কে এবার শ্বশুর বাড়ীতে আনতেই হবে। না হয় সে নিজেই জামাই এর সাথে একটু ঠাট্টা মসকরা করলেন।বাড়ীতে তো অন্যে কেউই নাই,  আর প্রতিবেশীরা ও দেখতে আসবে না।
পরদিনই হাটের মাঝে জামাইর সাথে শ্বশুর মশাই এর দেখা। তিনি জামাই কে বললেন,
  তা বাবাজী আমাদের ঐমূখো যে আর হনই না।আজ চলুন আমাদের ওখানে।জামাই বাবা বলল,  আব্বা জান,  আপনাদের ঐখানে গিয়ে কি করবো, বাড়ীতে শালা-সম্মন্ধি কেউই না। কার সাথে কথা বার্তা বলল।?
শ্বশুর মিথ্যা করে বললেন, ঢাকা থেকে আমার দুই ভাইপো এসেছে, কলেজে পড়ে, সম্পর্কে তোমার শালা। ওরাও তোমাকে দেখেনি,
  তোমাকে পেলে খুব খুশি হবে। শালা দুলাভাই রা একটু হাসি তামাশা আর আনন্দ ফুর্তি করলে।
জামাই বাবাজি রাজী হইল। কিন্তু বাড়ি এসে দেখে কেউই আসে নি। বুজতে পাড়ল শ্বশুর আব্বা তাকে ফাকি দিয়েছেন।মনে মনে বলছিল,
  আজকের দিনটিই মাটি হয়ে গেল।
শ্বশুর যা ভেবে ছিলেন তা তো তার মনেই আছে।আহারের সময় হল। গ্রাম বাংলার রীতি হল শ্বশুর বাড়ি এসে জামাইরা শালাদের সাথে একসাথে ভাত খায়। শ্বশুর তার স্ত্রী কে বলল,
  বউ,  আজ বড় থাকায় ভাত দাও,  আমি আর আমার জামাইবাবা একই থালায় ভাত খাব।
শ্বশুর আর জামাই একই থালায় ভাত খেতে বসলেন। নানা রকম তরকারী দিয়ে দুই জনে খাওয়া চালিয়ে যেতে লাগল। শ্বশুর ভাবলেন
  আজকে একটু,  মজা করবেন। চালাকি করে,  যেভাবেই হোক জামাইকে আজ ক্ষির খেত দেবেন না।



গ্রাম বাংলার মজার গল্প পর্ব ২ পড়তে ক্লিক করুন এখানে

Sunday, July 17, 2016

মজার গল্প-- নগর পিতা



মাঃ কিরে তুই কাদছিস কেনো?
মেয়েঃ আর বলো না,  তোমার জামাই বাবা,  আর একটা বিয়ে করেছে!!!
মাঃ কি বলছিস!!! তুই কিভাবে জানলি!!!
মেয়েঃতাই তো বলছি! শয়তান টা তার ভালো মানুষের মুখোশের আড়ালে এতো খারাপ, আমি কখোনো বুঝতে পারিনি। আজ সকালে আমাকে ফোন দিয়ে বলেছে, খুশির সংবাদ আছে। বাসায় মিস্টি নিয়ে আসছে। সে নাকি নগদ পিতা হয়েছে।
মাঃ ইয়া,  আল্লাহ,   এই  কি  শুনিতে হচ্ছে।
মেয়েঃ আমার কিছুদিন ধরে সন্দেহ  হচ্ছিল।অনেক রাত  করে সে বাড়ি ফিরত। সে তলে তলে এই সব করছে।অন্য মেয়ের সাথে সম্পর্ক আছে।
মাঃ দাড়া,  আমি বজ্জাত টাকে ফোন দিয়ে দেখছি!!!
- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -
মাঃ হেলো, আনিস,  তুমি কোথায়!!!
আনিসঃজি,  আম্মা, আমি অফিসে,  আমি কিছুক্ষণ এর মাঝেই মিষ্টি নিয়ে বাসায় ফিরছি!
মাঃ তুমি মিরাকে কি বলেছো, কথা কি ঠিক!
আনিসঃ জি আম্মা, ঠিক, আমি নগর পিতা হয়েছি। আম্মা খুশির সংবাদ টা সবাইকে জানিয়ে দেন। আর আমার প্রতিবেশী ভোটার দের মিষ্টির দাওয়াত দিয়ে দিন।

Popular Posts