Saturday, March 17, 2018

কয়েকটি মিথ্যা যা আমাদের স্কুলে শিখানো হয়ঃ



Issac newton and apple myth

Some lie we are taught in our school

#বিজ্ঞানী নিউটন এর মাথায় আপেল পড়েছিল আর তিনি মাধ্যাকর্ষণ তত্ত্য আবিষ্কার করেনঃ 
এটি একটি অতিরঞ্জন ছাড়া কিছু নয়। তার জীবন থেকে এই ধরনের কোন ঘটনা ঘটার কোন প্রমান পাওয়া যায় না।আর তিনি প্রায় দুই বছর গবেষনা করে মধ্যাকর্ষন শক্তির তত্ত্ব আবিষ্কার করেন। 
#লাইট বালব বিজ্ঞানী এডিসন এর আবিষ্কারঃ 
বিজ্ঞানী এডিসন এর আবিষ্কার এর ৭০ বছর পূর্বেই হামফ্রি ডেভি আর্ক লাইট আবিষ্কার করেছিলেন।তিনি এবং তার টিম ৬০০ ঘন্টা জ্বলতে পারে এমন বাতি তৈরী করেছিলেন।যা সে সময় কোল মাইনার রা ব্যাবহার করত।   
#চাঁদ থেকে চীনের প্রাচীর দেখা যায়ঃ 
এটিও আর একটি অতিরঞ্জন। কারন নভোচারীরা চাঁদ তো দূরের কথা পৃথিবীর কাছাকাছি কোন কক্ষপথ থেকেও  খালি চোখে চীনের প্রাচির দেখতে পান নাই।তবে পৃথিবীর মরুভূমি আর বনভূমি গুলো দেখতে পাওয়া যায়। 
#বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন গণিতে ফেল করেছিলেনঃ 
আইনস্টাইন ছোটবেলা থেকেই পড়ালেখায় ভাল ছিলেন। এবং সবসময় পরীক্ষায় ভাল নাম্বার পেতেন । এমনকি তার ১১ বছর বয়সে তিনি কলেজ লেভেল এর পদার্থবিদ্যার বই  পড়তেন।যদিও তিনি এন্ট্রান্স পরীক্ষায় ফেল করেছিলেন , কিন্তু সেটা গণীতে নয়। 
#পিরামিড তৈরীতে দাসদের ব্যাবহার করা হয়ঃ  
আমরা বিভিন্ন হলিউড মুভিতে দেখতে পাই পিরামিড তৈরীতে দাসদের ব্যাবহার করা হচ্ছে। কিন্তু আসল সত্য হচ্ছে পিরামিড বেতনভুক্ত নির্মান শ্রমিকদের দ্বারা তৈরী করা হয়েছে। পিরামিড এর আসে পাশে এই সমস্ত শ্রমিকদের কবর পাওয়া গিয়েছে , যাদের কে অত্যন্ত সম্মানের সহিত কবরস্থ করা হয়েছিল। 
#ক্রিস্টোফার কলম্বাস আমেরিকা আবিষ্কার করেছিলেনঃ 
ক্রিস্টোফার কলম্বাস আমেরিকায় পৌছেছিলেন ১৪৯২ সালে কিন্তু নরওয়ের ভাইকিং জলদস্যুরা তার জন্মের প্রায় ৫০০ বছর পূর্বেই নিউ ফাউন্ডল্যাণ্ড এ  পৌছেন। যা বর্তমান এ কানাডার অন্তর্গত উত্তর আমেরিকার উত্তরে অবস্থিত।
 #কলম্বাস প্রথম বুঝতে পেরেছিলেন পৃথিবী গোলাকারঃ
 এটিও ভূল কারন ২০০০ বছর পূর্বে গ্রিক রা জানতো পৃথিবী গোলাকার  
#মানুষের মাত্র ৫টিই  ইন্দ্রিয় রয়েছেঃ 
যদিও আমরা জানি আমাদের ৫ টি ইন্দ্রিয় যথা দৃষ্টি, শ্রবন, স্বাদ গ্রহন, স্পর্শ ও ঘ্রান । এই গুলো হল আমাদের প্রাথমিক ইন্দ্রিয়। কিন্তু এর বাহিরে আমাদের আরো ২০ এর অধিক ইন্দ্রিয় রয়েছে। যেমনঃ তাপমাত্রার ধারনা, ক্ষুধা, শূন্যতার ধারনা, কম্পনেন্দ্রিয়,ব্যাথা মাপক ইন্দ্রিয়, সময়েন্দ্রিয় । ইন্দ্রিয় আমাদেরকে আমদের দেহের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরিন অবস্থার ধারনা দেয়।  
# মহাশুন্যে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি কাজ করে নাঃ 
যদিও আমরা নভোচারীদের দেখতে পাই তারা শূন্যে ভাসছেন, কিন্তু সেখানে ঠিকই মধ্যাকর্ষন শক্তি কাজ করছে। আমরা পৃথিবী থেকে যত দূরে যাব এই শক্তি তত দূর্বল হয়ে পরে।ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন ও এর ভিতরে কর্মরত মানুষ গুলো আসলে মধ্যাকর্ষনশক্তি টানে দ্রুত গতিতে পৃথিবীর উপর ঝাপিয়ে পড়ছে। আর এটিকে এমন গতিতে চালিত করা হয় যাতে এটি পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে বাহির হয়ে যায়। ফলে এটি পৃথিবীর চারপাশে কক্ষপথ তৈরী করে আর এর ভিতরের মানুষ গুলোকে মনে হয় তারা মধ্যাকর্ষন বিহিন অবস্থায় শূন্যে ভাসছেন। 
#আমরাআমাদের ব্রেইন এর ১০% ও ব্যাবহার করতে পারি নাঃ আমাদের ব্রেইন আমাদের দেহের মাত্র ৩% ওজন এর অধিকারী।আমরা সাধারনত যখন যতটুকু প্রয়োজন আমাদের ব্রেইন এর শক্তি ব্যাবহার করি। দিনের কিছু কিছু সময় আমরা আমদের ব্রেইন এর ১০০% শক্তিও ব্যাবহার করে থাকি। আর আমদের দেহের দৈনিক ব্যাবহৃত শক্তির ২০% ব্যাবহার হয় আমাদের ব্রেইন এর পিছনে। 
#অক্সিজেন বিহিন রক্ত নীল দেখায়ঃ 
রক্ত অনেক সময় নীল দেখায়, আসলে রক্ত চামড়ার নিচে দেখতে নীল দেখায় কিন্তু রক্ত সবসময়ি দেখতে লাল, হোক সেটাতে অক্সিজেন নাই বা আছে ।রক্ত উজ্জল লাল দেখায় যখন এতে অক্সিজেন থাকে আর যখন অক্সিজেন আলাদা হয়ে যায় তখন কালচে লাল দেখায়।






Reactions:

0 comments:

Post a Comment

Popular Posts