Saturday, January 28, 2017

Bundle of Sticks



A an old man had three Sons, who were always quarreling among themselves. He prohibited them not to quarrel each other but did the least good, so he thought in his mind for some very striking example which will make them to realize that,  this discord and quarrel would lead them to misfortune.
One day when they were quarreling and this discord turned to much more violent position than usual and this old man came and appeased them and asked one of them to bring him a bundle of sticks. After sometimes each son brought a bundle of sticks. He told them to try to break this bundle one by one. Then handing the bundle to each of his Sons in turn. But although each one tried his best, none was able to break.
The Father then untied  a bundle of sticks and gave one stick to one of his sons to break one by one. This they did very easily.
"My Sons," said the Father, "do you not see how certain it is that if you agree with each other and help each other, it will be impossible for your enemies to injure you? But if you are divided among yourselves, you will be no stronger than a single stick in that bundle."
In unity is strength.

Tuesday, January 24, 2017

তিন ছাগল ছানার গল্প



এক মায়ের তিন সন্তান ছিল।একদিন এই তিন ভাই মিলে তাদের মাকে বলল,"আমরা এখন বড় হয়েছি, তাই ঠিক করেছি আমরা নিজেরা যার যার আলাদা বাড়ি বানিয়ে সেখানে বাস করব"




মা বললেন ঠিক আছে, তবে তোমরা বাইরে ঘোরাঘুরির সময় একটু সাবধানে থেকো, যেন নেকড়ে বাঘের নজরে পড়ো না, নেকড়েবাঘের আবার ছাগলের বাচ্চা খাওয়ার খুব লোভ"
তিন ছাগল ছানা সেজেগুজে মায়ের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আল্লাহর নাম নিয়ে রওয়ানা দিলো। যেতে যেতে পথে দেখলো, একজন লোক এক বোঝা খড় বহন করে নিয়ে যাচ্ছে। বড় ছাগলছানা ভাবলো আমি এই খড় দিয়েই ঘর তুলব। সে তাই করলো। খড় জোগার করে সেখানে ছোট্ট একটা ঘর বানিয়ে আস করতে লাগলো।
মেঝ ভাই ও ছোট ভাইও পথ চলতে লাগল। চলতে চলতে তারা একজন কৃষকের দেখা পেলো। যে একবোঝা লাঠি নিয়ে যাচ্ছিলো। মেঝো ছাগল ছানাটি স্থির করলো সে এই লাঠি দিয়েই মজবুত করেই ঘর বানাবে। সে তাই করল এবং এই লাঠির ঘরেই বাস করতে লাগল।
ছোট ছানাটি হাটতে হাটতে আরো দূরে চলে এলো। সে এখানে দেখতে পেলো একজন লোক একটি ঠেলা গাড়িতে লাল রঙের ইট নিয়ে যাচ্ছে। সে ভাবলো  এই লাল রঙের ইট দিয়ে ঘর বানালে তা অনেক মজবুত হবে।  তাই সে লাল রঙের ইট দিয়ে অনেক সুন্দর ও মজবুত  একটি বাড়ি বানিয়ে সেখানেই আস করতে লাগল।
এদিকে নেকড়ে বাঘ কিন্তু জংলের আড়াল থেকে সবই লক্ষ্য করেছে। তাই সে এক রাতে প্রথমে বড় ভাই এর ঘরে গিয়ে ডেকে  বলল, " ছাগলছানা আমাকে ভিতরে আসতে দাও"


কিন্তু ছাগলছানার তখন তার মায়ের নির্দেশ মনে পড়লো। সে বলল, " আমার ঘরের দরজা অনেক ছোট,  তাই তোমাকে ভিতরে ঢুকতে দেয়া যাবে না।"
তখন নেকড়ে  নেকড়ে রেগে গিয়ে বলল, তখন নেকড়ে রেগে গিয়ে বলল, আমি তোর ঘর ভেংগে ফেলবো। নেকরে মাথা দিয়ে গুতো দিয়ে সত্যিই ঘর ভাংতে শুরু করলো। ছাগলছানা পেছন দিয়ে  বের হয়ে দৌড়ে গিয়ে তার মেঝো ভাই এর ঘড় এ গিয়ে আশ্রয় নিলো।
পরদিন রাতে নেকড়ে আবার  এলো তাদের মেঝো ভাই এর বাসায়। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে তাকে ডাকতে শুরু করলো। মেঝো ছাগল ছানা বললো , আমার ঘরটি খুব ছোট্ট, এখানে তোমার জায়গা হবে না, তাই তুমি ঢুকতে পারবে না

নেকরে রেগে গিয়ে এই ঘরও ভাঙ্গতে শুরু করলো। দুই ভাই পেছন দিয়ে বের হয়ে এক দৌড়ে গিয়ে ছোট্ট ভাই এর ইটের ঘরে আশ্রয় নিলো। কিন্তু নেকরেও নাছোড়বান্দা ।এতো সহজে সে ছাড়বে না ।তাই সে পরদিন রাত এ আবার এলো। দরজার বাইরে দারীয়ে হূংকার ছেড়ে বললো, এ ঘরও আমি ভেঙ্গে ফেলবো। কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও সে ইটের গাথুনি ভাংতে পারলো না। তখন বললো, ঠিক আছে, আমি চিমনির ভিতর দিয়ে আসছি

 এ কথা শুনে তিন ছাগলছানা মিলে বুদ্ধি করলো, ডেকচির মাঝে গরম পানি ঢেলে দিবে, আর চিমনির নিচে সেই পানি রেখে দিবে। এরপর নিজেরা গিয়ে ঘরের এক কোনায় লুকিয়ে রইলো।যেই ভাবা সেই কাজ।
নেকড়ে বীর দর্পে ঘরের ছাদে উঠলো , তারপর চিমনি বেয়ে নেমে এসে ঝপাৎ করে মুখ থুবড়ে ফুটন্ত পানিতে পরে গেলো,  তারপর ছট ফট করতে করতে মারা গেল।

এভাবেই উপস্থিত বুদ্ধির জোরে তিন ছাগলছানা বেচে গেল।

Sunday, January 15, 2017

Nimrod and The Prophet Ibrahim(peace be upon him)



Maybe you have heard the name of Babylon! Nimrod was the king of this land .He was as proud as oppressive. There was a lot of jewels, wealth-and riches in his treasury , and countless men were stranding for his majesties service.

Once he came forth for an expedition.Countries after countries had brought after his hand. Rivers of blood flowed all around. Cryings of oppressed was Heard al around. Still, there is no rest, no respite- Just win, and win destruction and ruin. They began to fly the flag of victory in Greece, Turkey, Arabia, Persia and India. He is now the absolute ruler of half of the world.  His haughtiness was so increased that it seemed to him the world is as a sandbox.

One day Nimrod was gossiping with his courtiers.In the meantime a fakir came and shouted, ‘O king , please give me something in the name of almighty God’.

Nimrod was thundered to hear it and said, Almighty God? What are you talking about? I am the Almighty.

The disappointed cabinet could not go to the emperor’s word. So they remained silent. The Dervish said , O King, You're wrong. He is so great that You are awfully trivial to compare with him. Nimrod cried out with a resent voice.How dare you?----“Headsman!”

The Headsman came and began to wait for the order to execution. Nimrod commanded with frantic voice: I want the Head of this beggar. The Headsman make the Dervish chained and took him for execution. The ministers knew their king But began to feel sorry. They were not at all surprised. Nimrod said to the officials: Make an announcement in my kingdom, I am the Almighty, I am God. who will worship other gods along with me, he will be destroyed

They then announced this all around the kingdom with beating drum.The people were scared with panic. The Girls fore their fingers in their ears. Such audacity of a man!

They continued to worship almighty secretly. there is not anything other than pretending to obey Nimrod Publicly.

Nimrod was blind with arrogance. He made his own effigy in his palace and commanded the town people to worship him. If anyone disobeys him he will be decapitated. People were worshiping according to his will.

Nimrod’s  servent Azor had a sun of twelve years. One day he did such a act that scared others.

Popular Posts