Tuesday, November 21, 2017

শিশুর সরলতা - লিও টলস্তয় - Wisdom of Children - by Leo Tolstoy Bangla translation



শিশুর সরলতা  - লিও টলস্তয় - Wisdom of Children - by Leo Tolstoy Bangla translation 
সেই বছর বড়দিন এর পর্ব বেশ আগে শুরু হয়েছে। বাগানে তখনো তুষার জমে, গ্রামের রাস্তায় তুষার গলে পানির স্রোত বয়ে যায়।দুটি বাড়ির মধ্যে চিকন একটি রাস্তা। সেখানেই দেখা হল দুবাড়ির দুটি মেয়ের। বাড়ির ময়লা পানি জমে ছোট একটা ডোবার মতো হয়েছে গলিটায়। একটা মেয়ে খুবই ছোট, আর আরেকটি একটু বড়। দুজনার মা-ই তাদের নতুন জামা-কাপড় পরিয়ে দিয়েছে। ছোট মেয়েটির কাপড়ের রং লাল, বড়টির বেগুনী। এছাড়া দুজনার মাথায় জড়ানো গোলাপী রুমাল। এইমাত্র তারা প্রার্থনা ফিরেছে। প্রথমে একে অপরকে তারা নিজের জামা-কাপড় দেখাল, তারপর শুরু করল খেলতে। একটু পরেই তাদের ইচ্ছে হল পানি ছিটাছিটি করবে। ছোট মেয়েটি তো জামা-কাপড় আর জুতো পড়েই নেমে যাচ্ছিল, তাকে থামিয়ে দিল বড় মেয়েটি। সে বলল, এমন করে পানিতে নেমো না মালাশা, তোমার মা রাগ করবে। আমি আমার জুতো-মোজা খুলে রাখছি, তোমারটাও তুমি খুলে ফ্যালো। তাই হল, জুতো-মোজা খুলে পানিতে গিয়ে নামল তারা হাঁটু পর্যন্ত ঘাগরা উঁচু করে। পানিতে হেঁটে একজন অন্যজনের দিকে যেতে লাগল। মালাশার পা পর্যন্ত পানিতে ডুবে গেছে। সে বলে উঠল, আমার ভয় করছে আকুলিয়া; পানি মনে হচ্ছে অনেক। আকুলিয়া বলল, চলে এসো না! ভয় নেই। এর চেয়ে বেশি পানি আর কোথাও নেই। তারা যখন অনেকটা কাছাকাছি এসেছে তখন আকুলিয়া বলল, সাবধান মালাশা, পানি ছিটিও না কিন্তু! সাবধানে হেঁটো।
        তার কথা যেইনা শেষ হয়েছে অমনি মালাশার পা-টা এত পানিতে জোরে পড়েছে যে খানিকটা পানি ছিটকে গিয়ে আকুলিয়ার জামা-কাপড়ে তো লেগেছেই, মুখে-চোখেও লেগেছে।
        জামা-কাপড়ের এ দূরবস্থা দেখে রেগে সে মারতে গেল মালাশাকে। মালাশা দেখল, মহা মুশকিল। ভয় পেয়ে সে-ও ওখান থেকে উঠে দৌড়াতে পালাতে লাগল বাড়ির দিকে।
        ঠিক সে-সময়ে আকুলিয়ার মা সেখান দিয়ে যাচ্ছিল। মেয়ের কাপড়-জামায় ময়লা পানির দাগ দেখে সে রেগে উঠল,  কাপড়-জামার এরকম ছিরি করলি কী করে?
        মেয়ে বলল, মালাশা ইচ্ছে করে এরকম করে দিয়েছে।
        আকুলিয়ার মা এ-কথা শুনেই মালাশাকে ধরে এনে এক থাপ্পড় মেরে দিল তার ঘাড়ে। মালাশাও এমন জোরে কেঁদে উঠল যে রাস্তার এপাশ থেকে ওপাশ অবধি তার চিৎকার ছড়িয়ে পড়ল। তখন মালাশার মা-ও এল রাস্তায় বেরিয়ে।এসেই সে বলে উঠল, ‌আমার মেয়েটাকে মেরেছ কেন গো?-বলেই চেঁচামেচি শুরু করল। দেখতে দেখতে তুমুলভাবে বেধে উঠল ঝগড়া। বাড়ির পুরুষরাও দৌড়ে এসে জমায়েত হল রাস্তায়। সবাই কথা বলছে প্রাণপণ চিৎকার করে, কারো কথা কেউ শুনছে না। ঝগড়া চলতেই লাগল। একজন আরেকজনের গায়ে একটু ধাক্কা দিতেই মারামারি শুরু হয় আর কী‍! এমন সময় বেরিয়ে এল আকুলিয়ার বুড়ো দাদি। সবাইকে শান্ত হবার উপদেশ দিয়ে বুড়ি বলল, তোমরা এ কী শুরু করেছ বাছারা! এরকম করা কি ঠিক হচ্ছে, বিশেষ করে আজকের মতো ইস্টারের দিকে? পরব আসে আনন্দ করবার জন্যে, ঝগড়া করবার জন্যে তো নয়।
        বুড়ির কথা তখন কে শুনবে? তাদের ধাক্কায় বুড়ি প্রায় পড়েই যাচ্ছিল। ঝগড়া থামাবে এমন সাধ্যই ছিল না বুড়ির।
        অবশেষে সে ঝগড়া আবার থামল মালাশা আর আকুলিয়ার কারণেই। মায়েরা তখনও গলা ফাটিয়ে ঝগড়া করেছিল একে অন্যের সঙ্গে। সেই সুযোগে আকুলিয়া জামার ময়লা ধুয়ে আবার গিয়ে ডোবায় নেমেছে। সরু মাথাওয়ালা এক টুকরো পাথর নিয়ে সে মাটি খুঁড়ছিল ডোবার পানি রাস্তায় গড়িয়ে আনবে আশায়। তাই দেখে মালাশাও ওর সাহায্য করতে লাগল। লোকগুলো যখন মারামারি শুরু করতে যাচ্ছে ঠিক এমনি সময় তাদের ভেতর মিটমাটের চেষ্টা করছিল সেখান অবধি এল পানি। মালাশা তার হাতের লাঠিখানা ফেলে দিয়েছে স্রোতের মুখে। স্রোতের দুপাড় দিয়ে চলছে মেয়ে দুটি সেই লাঠির পিছু-পিছু।
        আকুলিয়া চিৎকার করছে, ধরোতো মালাশা, লাঠিটা ধরো।
        মালাশাও এমন হাসি হাসছিল যে, হাসির চোটে কথা বলতে পারছিল না।
        আনন্দে আত্মহারা হয়ে তারা লাঠির পিছনে ছুটতে ছুটতে লোকগুলোর কাছেই এসে পড়ল। তাই দেখে বুড়ি লোকগুলোকে উদ্দেশ্য করে বলল, তোমাদের কি এতটুকুও লজ্জা করছে না? তোমরা ঝগড়া করছ যাদের নিয়ে তারা কিনা দিব্যি সব ভুলে গিয়ে আবার আগের মত মনের আনন্দে খেলায় মেতেছে। আহা সোনার চাঁদ বাছারা, বড়দের চেয়ে তোদের জ্ঞান বুদ্ধিই না-জানি বেশি।
        লোকগুলো মেয়ে দুটির দিকে চেয়ে লজ্জিত হল। তারা তখন হাসাহাসি করতে করতে চলে গেল যে-যার কাজে।
        শিশুর মতো সরল যে হতে পারবে না, তার ঠাই কখনো স্বর্গে হবে না।

Saturday, October 21, 2017

দেশের সকল দৈনিক পত্রিকার লিঙ্ক


 লিঙ্ক এ ক্লিক করলেই সরাসরি ওয়েবসাইটে যেতে পারবেন ।











১। দৈনিক আমার দেশ অনলাইন 




      
































এর বাইরে কোন পত্রিকা বাদ পড়লে আমাকে দয়া করে কমেন্ট করে জানাবেন। ইনশা আল্লাহ , আমি এড করে নিব।পোস্ট ভিজিট ও শেয়ার করার জন্যে ধন্যবাদ ।

Friday, October 20, 2017

ডাবের পানির মজার তথ্য




 
সারা পৃথিবী তেই ডাবের পানি বেশ জনপ্রিয়।এই  গরমে পিপাসা মিটাতে শক্তিদায়ক হিসেবে ডাবের পানি খুবই ভাল কাজ দেয়। তবে এটি নিয়ে যে সকল তথ্য চালু আছে তার বেশিরভাগই সত্য নয়। আসুন জেনে নিই এগুলো কতটা সত্য।
ডাবের পানি কতটা শক্তিদায়ক?
ডাবের পানি দ্রুত ডিহাইড্রেশন/পানিশূন্যতা দূর করে বলে পান করার পর বেশ ভাল লাগে এটা ঠিক, কিন্তু এতে  শক্তি  বা calorie যে খুব বেশি রয়েছে, তা নয়। ১০০ মি লি ডাবের পানিতে চিনি বা শর্করা আছে দুই দশমিক সাত মিলিগ্রামের মতো, যা দোকানের বিভিন্ন   কোমলপানীয়,  জুস বা ড্রিংকস থেকে  অনেক কম। বাজার  প্রলিত কোমল পানীয়র তুলনায় এতে ক্যালরির পরিমাণও কম। একে লো ক্যালরি ড্রিংকস বলা যায়। তাই ডাবের পানিতে অনেক শক্তি মিলবে, এটা ঠিক নয়। তবে এর শর্করার প্রায় পুরোটাই সহজ শর্করা(C6H12O6), মানে দ্রুত রক্তে মিশে যেতে সক্ষম।
পটাশিয়াম ডাবের পানি
এটা ঠিক যে ডাবের পানিতে পটাশিয়াম(K) আছে। যে সকল রোগীদের কিডনীতে সমস্যা আছে তাদের ডাবের পানি কম খেতে বলা হয়। কিন্তু এর চেয়ে বেশি পটাশিয়াম আছে এমন খাবার কিন্তু তাঁরা নিয়মিত খেয়ে চলছেন ১০০ মিলিলিটার ডাবের পানিতে পটাশিয়াম মাত্র ১৮৫ মিলিগ্রাম। অন্যদিকে একটা কলায় পটাসিয়াম আছে ৪২২ মিলিগ্রাম, আর একটা আলুতে আছে ৭১৫ মিলিগ্রাম কমলা টমেটোতেও অনেক পটাশিয়াম আছে। তাই পটাশিয়ামের বিধিনিষেধ থাকলে ওগুলোর কথাও মাথায় রাখুন।
উচ্চরক্তচাপের রোগীর মানা
অনেকটা স্যালাইনের মতোডাবের পানিতে বিভিন্ন ধরনের লবণ খনিজ পদার্থ রয়েছে। তাই পান করলে রক্তচাপ বাড়তে পারে, এমন ধারণাও আছে। এটা ঠিক নয়। কেননা ডাবের পানির লবণ মূলত পটাশিয়াম, সোডিয়াম নয়। আর পটাশিয়াম একটি বৈশিষ্ঠ্য হল রক্তনালি প্রসারিত করে, বরং রক্তচাপ কমাতেই সাহায্য করে। সোডিয়াম উল্টোটা করে। তাই উচ্চরক্তচাপের রোগীর ডাবের পানি পান করতে সমস্যা নেই।
ডাবের পানি পান করলে ওজন কমে
বাজারচলতি জুস ড্রিংকসের তুলনায় ডাবের পানির ক্যালরি কম, এটা সত্য, তাই বলে এটা একেবারে পানির মতো ক্যালরিমুক্ত, চিনিমুক্ত পানীয় নয়। তাই ওজন কমাবে, এমন ধারণার কোনো ভিত্তি নেই।
আখতারুন নাহার, পুষ্টিবিদ

Tuesday, October 17, 2017

childish adult jokes part 4







Be nice to your kids. They’ll choose your nursing home.





Did you hear about the race between the lettuce and the tomato?
 The lettuce was a "head" and the tomato was trying to "ketchup"!




Why did the girl smear peanut butter on the road?
 To go with the traffic jam!




Why do bananas have to put on sunscreen before they go to the beach?
 Because they might peel!





Mom and Dad were trying to console Susie whose dog, Skipper, had recently died.
"You know," Mom said, "it’s not so bad. Skipper’s probably up in Heaven right now, having a grand old time with God."
Susie stopped crying and asked, "What would God want with a dead dog?"




Knock, knock.
 Who’s there?
 Cows go.
 Cows go who?
 No, silly. Cows go "moo!"





After many years, a prisoner is finally released.
 He runs around yelling, "I’m free! I’m free!"
 A little kid walks up to him and says, "So what? I’m 4."






Why couldn’t the pony sing himself a lullaby?
 He was a little hoarse.


Knock, knock.
 Who’s there?
 Little old lady.
 Little old lady who?
 Wow, I didn’t know you could yodel!





What did the pencile say to the other pencil?
 your looking sharp.





My mama was so cheap, she waited ’til after Christmas. 'Baby, Santa Claus missed our house. I called him, and he coming back tomorrow.' She was waiting for the stuff to go on sale.

 




Did you hear about the child with AIDS? it never gets old. I own an abortion clinic called "Don’t Kid Yourself"





What do lawyers wear to court?
 Lawsuits!









What did the mushroom say to the fungus?
 You're a fun guy [fungi].


How do you make a tissue dance?
 Put a little boogey in it!

  


What happens if you eat yeast and shoe polish?
 Every morning you’ll rise and shine!


"What’s the difference between a guitar and a fish?"
 "You can’t tuna fish."


What do you call an alligator in a vest?
 An Investigator





What did 0 say to 8?
 Nice belt!




Q: What is the difference between a boy and a girl?
A: A boy is eight times more likely to be convicted of murder.







Q: What did the fish say when he swam into a cement wall?
A: "Dam."






What is the most hardworking part of the eye?
 the pupil




The girl exclaims, "Glad Ass -- Happy Butt -- what’s the difference?"

Popular Posts