Thursday, June 23, 2016

Funny Military Questions



- How many Iraqis does it take to launch a Scud missile?- Two. One to launch it, one to watch CNN to find out where it landed.
- How many Russians does it take to screw in a light bulb?- That is a military secret. If I told you I'd have to kill you.
- What do you think about the coming battle, General?- God knows it will be lost.- Then why should we go for it?- To find out who is the loser.
- Who likes music? - asks a commander.- Two soldiers step forward.- All right. I bought a piano. Take it to my apartment on the fourth floor.
- How many survivors of nuclear war does it take to screw in a light bulb?- None. People that glow in the dark don't need lights.

Tuesday, June 21, 2016

New CEO








A fellow had just been hired as the new
CEO of a large high tech corporation. The CEO who was stepping down met with him privately and presented him with three numbered envelopes. "Open these if you run up against a problem you don't think you can solve," he said. Well, things went along pretty smoothly, but six months later, sales took a downturn and he was really catching a lot of heat. About at his wit's end, he remembered the envelopes. He went to his drawer and took out the first envelope. The message read, "Blame your predecessor. " The new CEO called a press conference and tactfully laid the blame at the feet of the previous
CEO. Satisfied with his comments, the press -- and Wall Street
-- responded positively, sales began to pick up and the problem was soon behind him. About a year later, the company was again experiencing a slight dip in sales, combined with serious product problems. Having learned from his previous experience, the CEO quickly opened the second envelope. The message read, "Reorganize. " This he did, and the company quickly rebounded. After several consecutive profitable quarters, the company once again fell on difficult times. The CEO went to his office, closed the door and opened the third envelope. The message said,
"Prepare three envelopes. "


Jokes ---"teeth"

A dinner speaker was in such a hurry to get to his engagement that when he arrived and sat down at the head table, he suddenly realized that he had forgotten his false teeth.
Turning to the man next to him he said, "I forgot my teeth. "
The man said, "No problem. " With that he reached into his pocket and pulled out a pair of false teeth. "Try these," he said.
The speaker tried them. "Too loose," he said.
The man then said, "I have another pair...try these. "
The speaker tried them and responded,
"Too tight. "
The man was not taken back at all. He then said, "I have one more paid of false teeth...try them. "
The speaker said, "They fit perfectly. " With that he ate his meal and gave his address.
After the dinner meeting was over, the speaker went over to thank the man who had helped him.
"I want to thank you for coming to my aid. Where is your office? I've been looking for a good dentist. "
The man replied, "I'm not a dentist. I'm the local undertaker. "
 

Nasir Uddin Hojja - Funny stories - নাসির উদ্দিন হোজ্জার গল্প



একদিন নাসিরউদ্দিন হোজ্জা একটি মিষ্টির দোকানের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ মিষ্টির দিকে চোখ পড়াতে তার খেতে ইচ্ছে হলেও টাকা না থাকায় শুধু মিষ্টির ঘ্রাণ নিয়ে চলে যাচ্ছিলেন। কিন্তু দায় সাধল দোকানদার। তিনি মিষ্টির ঘ্রাণ নেওয়াতে হোজ্জার কাছে তার দাম চাইলেন। হোজ্জা পরে দিবেন বলে সেদিনের মত চলে আসলেন। পরের দিন তিনি কিছু মুদ্রার কয়েন থলেতে নিয়ে তার দোকানে গেলেন এবং ঝাঁকাতে শুরু করলেন। দোকারদার বললেন দাও আমার টাকা দাও। হোজ্জা উত্তরে বললেন টাকার ঝনঝনানি শুনতে পাচ্ছেন না? দোকারনদার বললেন হ্যাঁ শুনতে পাচ্ছি। হোজ্জা বললেন তো শোধ হয়ে গেল।-

একদা মোল্লা নাসিরউদ্দিন নিজের জন্য একটা জোব্বা কিনতে গেল একটি দোকানে। তো পছন্দ করার পর দোকানদার জোব্বাটা প্যাকেট করে দিল। মোল্লা জোব্বা নিয়ে চলে আসার সময় ভাবলেন জোব্বা না নিয়ে বরং একটি আলখাল্লা নিয়ে যাই। দোকানীকে বলল, আপনি বরং আমাকে একটি আলখাল্লা দাও। দোকানী আলখাল্লা দেয়ার পর মোল্লা নাসিরউদ্দিন তা নিয়ে বের হয়ে আসার সময় দোকানী ডেকে বলল, হোজ্জা সাহেব আপনিতো আলখাল্লার মূল্য পরিশোধ করেননি। তখন মোল্লা উত্তর দিল আমি তো আলখাল্লার পরিবর্তে জোব্বাটা রেখে গেলাম। তখন দোকানী , আপনিতো জোব্বার জন্যও মূল্য পরিশোধ করেননি। প্রতি উত্তরে মোল্লা বললেন, যেটা আমি নেইনি তার জন্য মূল্য পরিশোধ করব কেন?

-মোল্লা নাসিরউদ্দিন একবার বাজার থেকে খাসির  কিনে গোশত বললেন গোশত আনলে ন্রীর হাতে দিয়ে বললেন,অনেকদিন গোশত খাইনি। ভালো করে রাঁধো যেন খেয়ে মজা পাই।মোল্লার স্ত্রীও অনেকদিন গোশত খায়নি। তাই রান্নার পর একটু একটু করে খেতে খেতে সবটা গোশতই খেয়ে ফেলল। মোল্লা খেতে বসলে তাঁর স্ত্রী মুখ কাঁচুমাচু করে বললেন, আজ আর তোমার বরাতে গোশত নাই, সব গোশত বিড়ালে খেয়ে ফেলেছে।” নাসিরউদ্দিন অবাক হয়ে বলল: পুরো এক সের গোশতই বিড়াল খেয়ে ফেলল?’ জি বলল: তাহলে আমি বলছি কি! স্ত্রীর কথা মোটেই বিশ্বাস করল না মোল্লা। তখনই বিড়ালটাকে দাঁড়িপাল্লায় ওজন করে দেখল এটার ওজন ঠিক এক সের। মোল্লা বলল,এটাই যদি সেই বেড়াল হয়, তাহলে গোশত কোথায়? আর এটা যদি গোশতের ওজন হয় তাহলে বেড়ালটা গেল কোথায়?


Monday, June 20, 2016

Doctor and the aged man

An eighty seven years -old man went to the doctor to get  physical treatment. A few days later, the doctor saw the man walking down the street with a gorgeous young lady on his arm. Some days later, when the old man had an appointment with the doctor and visit him again, the doctor said, "You're really doing great job, aren't you? "The man replied, "oh! i am just doing what you said doctor, "you advised me, Get a hot mama and be cheerful. "The doctor said, "I didn't say that!... I said you have got a heart murmur. so Be careful! "

Donkey Woman

A guy and his wife walked into a bar one day, the wife takes a seat and the guy goes up to the bar. The barman goes over to the guy and asks him what he wants, the guy replies ", I'll have a bottle of bud and an orange juice for the jackass ". The barman looks at the guy puzzled but say's nothing and gives the guy his drink. this happens twice more. A couple of hours pass and the guy goes to the mens room and his wife goes up to the bar. This time she orders the drinks. The barman gets the drinks and says, "it's probably none of my business, but I think you should know that your husband has been referring to you as the jackass. I just had to tell you because I don't think it's very fair for him to call you that ". The woman turns to him and smiles and says... "Oh, don't worry, it's ok - heaw, heaw, he always calls me that "!"
 

Sunday, June 19, 2016

Fishing

A couple of young woodcutters were fishing at their special pond off the beaten track when out of the bush's jumped the Game Warden!!Immediately, one of the boys threw his rod down and started running through the woods, and hot on his heels came the Game Warden. After about a half mile the fell a stopped and bent over with his hands on his thighs to catch his breath and the Game Warden finally caught up to him. "Lets see your fishing license, Boy!! " the Warden gasped. With that, the fell a pulled out his wallet and gave the Game Warden a valid fishing license. "well, son ", said the Game Warden, " You must be about as dumb as a box of rocks!! You don't have to run from me if you have a valid license! "
"Yes Sir ", replied the young feller," But my friend back there, well, he don't have one "..." 

Jokes about Car breaks troubles

 
Two Engineer,  a Software Engineer, and a Hardware Engineer and a Branch Manager were on their way to a meeting in a car. They were driving down a steep mountain road when suddenly the car brakes failed. The car bent almost out of control down the road, bouncing off the crash barriers. it is  miraculously ground to a halt scraping along the mountainside. The three man, shaken but unhurt, now had a problem: they were stuck halfway down a mountain in a car with no brakes. What were they to do? "I know," proposed the Branch Manager, "Let's have a meeting, propose a Vision, formulate a Mission Statement, define some Goals, and by a process of Continuous Improvement find a solution to the Critical Problems, and we can be on our way. "
"No, no," said the Hardware Engineer, "That will take far too long, and besides, that method has never worked before. I've got my Swiss Army knife with me, and in no time at all I can strip down the car's braking system, isolate the fault, fix it, and we can be on our way. "
"Well," said the Software Engineer, "Before we do anything, I think we should push the car back up the road and see if it happens again. "

Monday, June 13, 2016

The Crow and the fox - মজার গল্প - কাক এবং শেয়াল


































গল্পঃ ১
এক কাক এসে বসল গাছের ডালে, মুখে তার একটুকরো মাংস। এক শিয়াল নীচে থেকে তাই দেখে ভাবতে লাগল, কি করে ঐ মাংসটুকু সে নিজে খেতে পায়।অনেক ভেবেচিন্তে সে শেষে ঐ কাকের দিকে চেয়ে বলতে লাগল, ভাই, সত্যি কি সুন্দর পাখি তুমি, কি সুন্দর তোমার অঙ্গের গঠন, তোমার পাখিদের রাজা হবার কথা, তোমার অবশ্য কণ্ঠস্বরও যদি তোমার চেহারার মতো সুন্দর হতো, মধুর হতো। কিন্তু হায়! তুমি তো অন্য পাখিদের মতো গান গাইতে পার না!শেয়ালের এই কথা শুনে কাক আর চুপ থাকতে পারল না, সে তখনই মহোল্লাসে কা-কা রবে ডাকতে শুরু করল. আর অমনি মাংসের টুকরো তার মুখ থেকে গেল পরে, আর শেয়াল অমনি তা মুখে করে নিয়ে দিল ছুট।
উপদেশঃ অনেক মূর্খই অপরের স্তোতবাক্যে ভুলে নিজের সম্পদ হারায়।


গল্পঃ ২

একদিন দুই বন্ধু বেরোলো বেড়াতে। যেতে যেতে পথে হঠাৎ ভয়ংকর এক ভালুকের সামনে পড়ল দুজন। দুই বন্ধুর মধ্যে একজন গাছে চড়তে জানত। বিপদ বুঝে তখনই পাশের একটা বড় গাছে চড়ে বসল সে। অন্য বন্ধুটি গাছে চড়তে জানত না, এটা জেনেও বন্ধুর কথা না ভেবে তাকে বিপদের মুখে ফেলে সে নিশ্চিন্তে আত্নরক্ষার ব্যবস্থা করল।অন্য বন্ধুটি বিপদ বুঝে গাছের তলায় মরার মতো পড়ে রইল। কারণ সে জানত ভালুক কখনো মরা মানুষকে আক্রমণ করে না।ভালুকটি তার কাছে আসতেই সে নিঃশ্বাস বন্ধ করে ফেলল। ভালুক তার নাখ-মুখ পরীক্ষা করে যখন বুঝল লোকটি মৃত, চলে গেল। ভালুক চলে যেতেই অন্য বন্ধুটি গাছ থেকে নেমে এসে বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করল, 'বন্ধু, ভালুক তোমার কানে কানে কী বলে গেল?'বন্ধুর কথা শুনে সে হেসে উত্তর দিল, 'ভালুক আমার কানে কানে এই উপদেশ দিল, যে বন্ধু বন্ধুর বিপদে তার পাশে থাকে না, ভবিষ্যতে যেন এমন বন্ধুর সঙ্গে আর পথ না চলি।'
উপদেশঃ বিপদেই সত্যিকার বন্ধুর পরিচয় পাওয়া যায়।
এক কাক এসে বসল গাছের ডালে, মুখে তার একটুকরো মাংস। এক শিয়াল নীচে থেকে তাই দেখে ভাবতে লাগল, কি করে ঐ মাংসটুকু সে নিজে খেতে পায়।অনেক ভেবেচিন্তে সে শেষে ঐ কাকের দিকে চেয়ে বলতে লাগল, ভাই, সত্যি কি সুন্দর পাখি তুমি, কি সুন্দর তোমার অঙ্গের গঠন, তোমার পাখিদের রাজা হবার কথা, তোমার অবশ্য কণ্ঠস্বরও যদি তোমার চেহারার মতো সুন্দর হতো, মধুর হতো। কিন্তু হায়! তুমি তো অন্য পাখিদের মতো গান গাইতে পার না!শেয়ালের এই কথা শুনে কাক আর চুপ থাকতে পারল না, সে তখনই মহোল্লাসে কা-কা রবে ডাকতে শুরু করল. আর অমনি মাংসের টুকরো তার মুখ থেকে গেল পরে, আর শেয়াল অমনি তা মুখে করে নিয়ে দিল ছুট।
উপদেশঃ অনেক মূর্খই অপরের স্তোতবাক্যে ভুলে নিজের সম্পদ হারায়।


গল্পঃ ২

একদিন দুই বন্ধু বেরোলো বেড়াতে। যেতে যেতে পথে হঠাৎ ভয়ংকর এক ভালুকের সামনে পড়ল দুজন। দুই বন্ধুর মধ্যে একজন গাছে চড়তে জানত। বিপদ বুঝে তখনই পাশের একটা বড় গাছে চড়ে বসল সে। অন্য বন্ধুটি গাছে চড়তে জানত না, এটা জেনেও বন্ধুর কথা না ভেবে তাকে বিপদের মুখে ফেলে সে নিশ্চিন্তে আত্নরক্ষার ব্যবস্থা করল।অন্য বন্ধুটি বিপদ বুঝে গাছের তলায় মরার মতো পড়ে রইল। কারণ সে জানত ভালুক কখনো মরা মানুষকে আক্রমণ করে না।ভালুকটি তার কাছে আসতেই সে নিঃশ্বাস বন্ধ করে ফেলল। ভালুক তার নাখ-মুখ পরীক্ষা করে যখন বুঝল লোকটি মৃত, চলে গেল। ভালুক চলে যেতেই অন্য বন্ধুটি গাছ থেকে নেমে এসে বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করল, 'বন্ধু, ভালুক তোমার কানে কানে কী বলে গেল?'বন্ধুর কথা শুনে সে হেসে উত্তর দিল, 'ভালুক আমার কানে কানে এই উপদেশ দিল, যে বন্ধু বন্ধুর বিপদে তার পাশে থাকে না, ভবিষ্যতে যেন এমন বন্ধুর সঙ্গে আর পথ না চলি।'
উপদেশঃ বিপদেই সত্যিকার বন্ধুর পরিচয় পাওয়া যায়।






Tales of Aeshop - ঈশপের গল্প




অপরের মুখে হাসি ফোটাও




একজন শিক্ষক তাঁর ক্লাসরুমে পড়াচ্ছেন। তিনি একটা খালি বয়াম টেবিলের ওপরে রাখলেন। তারপর তার ভেতরে ঢোকালেন কতগুলো বড় পাথরের টুকরা। বয়ামটা ভরে গেল। তিনি বললেন, ছাত্ররা, দেখো তো, আর কোনো পাথরখণ্ড ঢুকবে কি না? না, স্যার। তাহলে বয়ামটা ভরে গেছে, কী বলো?

জি, স্যার।

এবার শিক্ষক কতগুলো ছোট নুড়ি বয়ামটাতে ঢালতে লাগলেন। নুড়িগুলো পাথরের ফাঁকে ফাঁকে ঢুকে গেল। তিনি বললেন, এবার ভরেছে। কী বলো?

জি, স্যার।

তিনি এবার বালু ঢালতে লাগলেন। পাথর আর নুড়ির ফাঁকে ফাঁকে বালু ঢুকতে লাগল এবং বয়ামটাকে পূর্ণ করে তুলল। শিক্ষক বললেন, আচ্ছা, এবার আমরা পুরো ব্যাপারটাকে উল্টো করে করি। প্রথমেই আমরা যদি বালু দিয়ে বয়ামটা পূর্ণ করে ফেলি, তাহলে কী হবে? তিনি বালু দিয়ে পাত্রটা পূর্ণ করলেন। তারপর আর নুড়ি কিংবা পাথর ঢোকানোর জায়গা রইল না। তিনি বললেন, এ থেকে আমরা খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু জিনিস শিখব। এই যে পাত্রটা দেখছ, এটা হলো আমাদের জীবন। এই যে বড় বড় পাথরখণ্ড, এগুলো হলো আমাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। আমাদের পরিবার, বাবা-মা, ভাইবোন, স্বামী-স্ত্রী, সন্তান, আমাদের স্বাস্থ্য, আমাদের শিক্ষা। আর নুড়িগুলো হলো আমাদের বিষয়সম্পত্তি, আমাদের গাড়ি-বাড়ি, আমাদের টেলিভিশন, আমাদের টেলিফোন, আমাদের বাগান। আর বালু হলো বাকি সবকিছু, আমাদের জীবনে আর যা যা করতে হয়। প্রথমেই যদি আমরা ছোট ছোট জিনিস দিয়ে জীবনটাকে ভরে ফেলি, তাহলে বড় কাজগুলো করা হবে না। কাজেই সব সময় পরিবারকে সময় দেবে, বাবা-মায়ের যত্ন নেবে, নিজের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখবে, লেখাপড়া করবে। তারপর গাড়ি-বাড়ি, কম্পিউটার-টেলিফোন এসবের দিকে নজর দেবে।এক ছেলে দাঁড়িয়ে বলল, স্যার, বয়ামটা এখনো ভরেনি। আপনি যদি এর মধ্যে পানি ঢালেন, পানি ভরবে।ঠিক তাই। তিনি পাথরখণ্ড, নুড়ি আর বালুভরা পাত্রটিতে এক কাপ কফি ঢাললেন। কফিটা পাত্রে ঢুকে গেল।








এই কফিটা হলো আনন্দ। মানুষের জন্য কিছু করা। সেবার ব্রত। তুমি যা-ই করো না কেন, জীবন আনন্দময়। মানুষের জন্য, মানবতার জন্য সর্বদাই কিছু না কিছু করার সময় তুমি বের করতে পারবে। মানুষের উপকারে আসতে পারবে। তাতেও তুমি অনেক আনন্দ পাবে। জীবনটাকে যত আঁটোসাঁটো মনে হোক না কেন, যতই তুমি ব্যস্ত থাকো না কেন, জীবনকে উপভোগ করো। আর যেন সবচেয়ে ভালোভাবে জীবনটাকে আনন্দপূর্ণ করে তোলা যায়, অপরের মুখে হাসি ফোটানোর মাধ্যমে।

Popular Posts